
শেষ আপডেট: 6 May 2023 11:34
দ্য ওয়াল ব্যুরো: মণিপুরের জাতিগত সংঘর্ষের ছায়া রাজধানীতেও (Manipur Violence)। দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ে (Delhi University) মণিপুরের দুই দল ছাত্রের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে।
রাজ্যে কুকি ও মেইতেই সম্প্রদায়ের মধ্য গত তিনদিন টানা লড়াইয়ের (Kuki and Meitei students clash) পর শুক্রবার বিকালের পর থেকে পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে। যদিও পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কায় মণিপুরে বিপুল বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে। দেশের নানা প্রান্ত থেকে দফায় দফায় সেনা, আধা সেনাকে সেখানে বিমানে করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।
এদিকে, মণিপুরের ঘটনার প্রেক্ষিতে উত্তর-পূর্বের অন্য রাজ্যগুলিতেও নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। বিশেষ করে হাসপাতাল, নার্সিংহোমে মণিপুরের মহিলারা অনেকেই চাকরি সূত্রে ভিন্ন রাজ্যে আছেন। মণিপুরের লাগোয়া রাজ্য এবং মায়ানমার সীমান্তে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে, যাতে হামলাকারীরা রাজ্য ছেড়ে অন্যত্র পালিয়ে যেতে না পারে। শুক্রবার রাতে কেন্দ্রীয় সরকার বিজেপি শাসিত এই পাহাড়ি রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি রক্ষার ভার নিজেদের হাতে তুলে নেয়।
এরই মধ্যে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ে মণিপুরের দুই দল ছাত্রের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। জানা গিয়েছে কুকি ও মেইতেই সম্প্রদায়ের ছাত্ররা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। তবে তা বেশি দূর গড়ায়নি। দু’পক্ষেরই বক্তব্য, থানা অভিযোগ নেয়নি। পুলিশের বক্তব্য থানাতে দু পক্ষকে বসিয়ে মিটমাট করে দেওয়ার চেষ্টা হয়। কারও গুরুতর আঘাত লাগেনি। ধাক্কাধাক্কি হয়েছে। পুলিশ দু দল ছাত্রকেই মিলে মিশে থাকার পরামর্শ দিয়েছে।
এদিকে, মণিপুরে নতুন করে বড় ধরনের সংঘর্ষের খবর না থাকলেও প্রশাসন ঝুঁকি নিচ্ছে না। সেখানে বিপুল সংখ্যায় র্যাফ, বিএসএফ, সিআইএসএফ, এবং সিআরপির জওয়ানদের নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আছে অসম রাইফেলস। অসমের দুটি বিমান ঘাঁটি থেকে ছোট বিমান উড়িয়ে বিমান বাহিনীও পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে। সিআরপিএফের ডিজি কুলদীপ সিংকে রাজ্য সরকারের নিরাপত্তা উপদেষ্টার ভার দিয়েছে দিল্লি। তাঁর হাতেই এখন রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলার ভার। অন্যদিকে, রাজ্যের অতিরিক্ত ডিজি (ইন্টেলিজেন্স ব্রাঞ্চ) আশুতোষ সিনহাকে অভিযান পরিচালনার ভার দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার।
মণিপুর থেকে জরুরি উদ্ধারের নির্দেশ মমতার, বিজেপি সরকার ফেল করায় হাত বাড়াল বাংলা