দ্য ওয়াল ব্যুরো: একেই বলে ফাইনাল অব ফাইনালস। কেউ কাউকে এক ইঞ্চি জমি ছাড়েনি। হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হল আফ্রিকা নেশনস কাপ ফাইনালে। না হলে পুরো ১২০ মিনিটের ম্যাচ গোলশূন্য ড্র হয়, শেষমেশ সাদিও মানের সেনেগাল টাইব্রেকারে ৪-২ গোলে হারিয়েছে সালাহর মিশরকে।
এই খেতাব দ্বৈরথটা ছিল লিভারপুলের দুই বন্ধুর, মানে বনাম সালাহর। ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ওই দলটিতে কাঁধে কাঁধ দিয়ে লড়াই করতেন। তাঁরাই প্রতিপক্ষ হয়ে লড়াই চালালেন। সালাহ কাঁদলেন, হাসলেন মানে। ম্যাচের শুরুতে পেনাল্টি থেকে গোল করতে ব্যর্থ হওয়া মানে টাইব্রেকারে শেষ শটে ঠিকই দলকে আনন্দে ভাসালেন।
আফ্রিকার রেকর্ড সাতবারের চ্যাম্পিয়ন মিশর তাদের সর্বশেষ শিরোপা জিতেছিল ২০১০ সালে। ২০১৭ সালে ফাইনালে উঠলেও শিরোপা হাতে ধরা দেয়নি। এক যুগের অপেক্ষার অবসান হলো না এবারও।
অন্যদিকে গত আসরের (২০১৯ সালে) রানার্স আপ ছিল সেনেগাল। এর আগে একবার তারা শিরোপার দূরত্ব থেকে ফিরেছিল ২০০২ সালে। অবশেষে ঘুচলো আক্ষেপ।
https://twitter.com/CAF_Online/status/1490565991792791552
ফাইনালে দাপট দেখিয়েই খেলেছে সেনেগাল। বল দখল কিংবা শট সব জায়গায়ই এগিয়ে ছিল তারা। মিশর যেন ম্যাচটা টাইব্রেকারে নেওয়ারই চেষ্টা করছিল। তাদের সে চেষ্টা সফল হয়েছে। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি।
এবারও মিশরকে বাঁচানোর জোর চেষ্টা করেছেন গোলরক্ষক মোহামেদ আবু গাবাল। মূল ম্যাচে সাদিও মানের পেনাল্টি ঠেকানোর পর টাইব্রেকারেও আটকে দিয়েছিলেন ফেরান বোনা সারের শট।
কিন্তু মিশরের আবদুল মোনেমের শট পোস্টে লাগার পর মহম্মদ লাশিনও ব্যর্থ হন। সেনেগালের হয়ে গোল করেন কালিদু কলিবালি, আব্দু দিয়ালো, বাম্বা ও মানে।