মানুষ বাঁচাতে মরতেই হল "মানুষ খেকো" অবনীকে
দ্য ওয়াল ব্যুরো: পরিবেশপ্রেমীদের রাস্তায় নেমে আন্দোলন কাজে এল না। মরতেই হল বাঘিনী অবনীকে। শুক্রবার রাতে ঠাণ্ডা মাথায় "মানুষ খেকো" বাঘিনী অবনীকে গুলি করে মারা হল। মহারাষ্ট্রের পনধড়কওয়ারা জঙ্গলে অবনীকে প্রাণে মারল বনদফতর কর্মীরা।
জানা যা
শেষ আপডেট: 3 November 2018 04:53
দ্য ওয়াল ব্যুরো: পরিবেশপ্রেমীদের রাস্তায় নেমে আন্দোলন কাজে এল না। মরতেই হল বাঘিনী অবনীকে। শুক্রবার রাতে ঠাণ্ডা মাথায় "মানুষ খেকো" বাঘিনী অবনীকে গুলি করে মারা হল। মহারাষ্ট্রের পনধড়কওয়ারা জঙ্গলে অবনীকে প্রাণে মারল বনদফতর কর্মীরা।
জানা যাচ্ছে, ১৪ মানুষ খেয়ে ত্রাসে পরিণত হয়েছিল অবনী। মহারাষ্ট্রের ইয়াভাটমাল গ্রামের পাশেই বিশাল পনধড়কওয়ারা জঙ্গল। লোকালয়ে মাঝে মাঝেই ঢুকে পড়ত "মানুষ খেকো" অবনী বলে জানা যাচ্ছে। নেই নেই করে গত এক বছরে ১৪ জনকে শিকার করেছে সে। তারপর থেকেই আতঙ্কিত গ্রামবাসী অবনীকে মেরে ফেলার দাবি জানায় বন দফতরের কাছে।
চিকিৎসায় গন্ডারের খড়গ, বাঘের হাড়, চিনের ঘোষণায় চোখ কপালে বিশ্বের
অবনী আতঙ্ক এতটাই বেড়ে যায় যে, বাঘিনীকে দেখলেই গুলি করার নির্দেশ দেয় বনদফতর। নির্দেশ জারির পরই গত ২ মাস ধরে অবনীর খোঁজ চালাচ্ছে কর্মীরা। জঙ্গলের মধ্যেই ঘুরছে অবনী বলে খবর ছিল। শুক্রবার রাতেই গ্রামের বাঘ আতঙ্কে আপাতত ইতি টানতে সফল বন দফতর। অবনীর নিথর দেহ এখনও প্রকাশ্যে আনা হয়নি।

তবে অবনীকে বাঁচাতে দেশজুড়ে আন্দোলনে নেমছিলেন পরিবেশপ্রেমীরা। দিল্লির রাস্তায় লম্বা মিছিলে সামিল হয়েছিলেন কয়েকশো মানুষ। ১২ অক্টোবর মুম্বই হাইকোর্টে বনদফতরের বাঘ মারার সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে মামলাও করা হয়। আন্দোলনকারী জেরি বানাইত মামলা করেন, আলাদা মামলা করে" আর্থ ব্রিগেড ফাউন্ডেশন"-ও। এত কিছু করেও শেষ রক্ষা হল না।
বন দফতর জানাচ্ছে, মানুষ খেকো বাঘিনী কতটা বিপজ্জনক তা আন্দাজ করেই বন দফতর সিদ্ধান্ত নেয়।তাই, মানুষকে বাঁচাতে মারতেই হল পাঁচ বছরের বাঘিনী অবনীকে।
The Wall-এর ফেসবুক পেজ লাইক করতে ক্লিক করুন