
ট্যারেনটুলা
শেষ আপডেট: 22 June 2024 16:14
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সালটা ছিল ২০১৬। বিষাক্ত ট্যারেনটুলা মাকড়সার কামড়ে বাংলায় আক্রান্ত হয়েছিলেন ৩০ জনেরও বেশী। আট থেকে আশি রেহাই পাননি কেউই। আতঙ্কে উড়ে গিয়েছিল রাতের ঘুম। তারপর বিভিন্ন সময়ে রাজ্যের একাধিক জেলা থেকে ট্যারেনটুলা হানার খবর সামনে এসেছে। এবার কেশপুরে হানা দিল ট্যারেনটুলা। চাষের কাজ করার সময় কেশপুরে এক ব্যক্তিকে ট্যারেনটুলা কামড়ায় বলে খবর মিলেছে। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ওই ব্যক্তি।
আহত ব্যক্তির নাম যদুনাথ রায়। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার কেশপুর ব্লকের আনন্দপুর থানার নগদা গ্রামের বাসিন্দা তিনি। স্থানীয় সূত্রের খবর, মাঠে কাজ করতে গিয়ে যদুনাথের হাতে বিষাক্ত মাকড়সা কামড়ায়। তড়িঘড়ি তাঁকে মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। এই ঘটনায় রীতিমতো আতঙ্ক ছড়িয়েছে পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশপুরে।
আক্রান্তের আত্মীয়রা জানিয়েছেন, হাসপাতালে ভর্তি করার পর যদুনাথের বিভিন্ন রকম রক্ত পরীক্ষা করা হয়েছে। তাঁকে প্রয়োজনীয় ওষুধ ও ইনজেকশনও দেওয়া হয়েছে। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, আপাতত সুস্থ রয়েছেন তিনি।
বস্তুত ট্যারেন্টুলা এক ধরনের লোমশ মাকড়সা। কম করে ৯০০ রকমের প্রজাতি রয়েছে এদের। সবগুলিই যে বিষাক্ত তা নয়। এবং প্রাণঘাতীও নয়। বরং ইদানীং পশ্চিমের দেশগুলিতে কেউ কেউ বাড়িতে বড় ট্যারেন্টুলা পোষেন। তবে বিগত দিনে পশ্চিম মেদিনীপুর তথা জঙ্গলমহল এলাকায় যে ধরনের ট্যারেন্টুলা দেখা গেছে, সেগুলি বিষধর। প্রাণনাশের আশঙ্কা না থাকলেও যেখানেই কামড়াচ্ছে শরীরের সেই অংশ ফুলে যাচ্ছে। এবং তা শরীরের নার্ভাস সিস্টেমেও সাময়িক সমস্যা তৈরি করছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। তাই এ ব্যাপারে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন তাঁরা।