
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
শেষ আপডেট: 22 November 2024 12:06
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বাংলায় আলুর দাম বৃদ্ধি নিয়ে কড়া বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বললেন, "বাংলায় আলুর দাম বাড়িয়ে অন্য রাজ্যে আলু পাঠিয়ে বাড়তি মুনাফা লুটবে, আর আমি ইনসিওরেন্সের ব্যবস্থা করব, দুটো জিনিস একসঙ্গে চলতে পারে না। এই জিনিস আমি বরদাস্ত করব না।"
রাজ্যে আলু ও পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধি নিয়ে দ্রুত টাস্ক ফোর্সের মিটিং ডাকারও নির্দেশ দিয়েছেন রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান। অবিলম্বে সীমান্ত সিল করার নির্দেশও দিয়েছেন তিনি।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথায়, "আমি তো বাংলা থেকে আলু ছাড়ছিলামও। কিন্তু কী বলেছিলাম? বাংলার প্রয়োজন মিটিয়ে বিক্রি করুন, আমার তাতে কোনও আপত্তি নেই। কিন্তু কী দেখলাম? বাংলায় আলুর দাম বাড়িয়ে ভিন রাজ্যে আলু পাঠিয়ে বাড়তি মুনাফা লুটার চেষ্টা হল! এটা তো বরদাস্ত করব না।"
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আলু উৎপাদনে আমরা স্বনির্ভরশীল। তবু আমাদের রাজ্যের মানুষকে কেন বাড়তি দাম দিয়ে আলু কিনে খেতে হবে?
এরপরই প্রশাসনের শীর্ষ কতার্দের রীতিমতো হুঁশিয়ারি দিয়ে মমতা বলেন, "আমি তো বলেছিলাম, তোমাদের আলু যদি অতিরিক্ত হয়েও যায় আইসিডিএস, মিড ডে মিলে নিয়ে নেব। তারপরও কীভাবে বাংলার মানুষকে বিপদে ফেলে বাইরে আলু পাঠানোর সাহস হয়? এখনই পদক্ষেপ করুন।"
এদিনের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের তিন মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, প্রদীপ মজুমদার ও বেচারাম মান্না। এতদিন মার্কেটিং এবং অ্যাগ্রো মার্কেটিং ডিপার্টমেন্ট ছিল ওঙ্কার মিনার হাতে। এদিন অ্যাগ্রো মার্কেটিং ডিপার্টমেন্টের দায়িত্ব বেচারামের হাতে তুলে দেন মুখ্যমন্ত্রী। প্রতি সপ্তাহের স্টক মিলিয়ে দেখার নির্দেশও দিয়েছেন।
ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আমাদের নিজেদের খাওয়ার পেঁয়াজ জোটে না। সেজন্য পেঁয়াজ চাষে জোর দিয়েছি। জমি উর্বর করা থেকে সার, এমনকী ইনসিওরেন্সের ব্যবস্থা করার পরও উৎপাদিত পেঁয়াজের ৫০ শতাংশ বাইরে পাঠিয়ে দিচ্ছে। সাহায্য করব আমরা আর কিনতে গিয়ে রাজ্যের মানুষের হাত পুড়বে, সেটা আমি বরদাস্ত করব না।"