.jpeg)
অখিল গিরি ও উত্তম বারিক।
শেষ আপডেট: 15 January 2025 19:12
দ্য ওয়াল ব্যুরো: গত শুক্রবারই দলবিরোধী কাজের জন্য প্রাক্তন সাংসদ শান্তনু সেন এবং প্রাক্তন বিধায়ক আরাবুল ইসলামকে সাসপেন্ড করেছে তৃণমূল। দলীয় অনুশাসন না মানলে এবার শাস্তির কোপে পড়তে পারেন রামনগরের বিধায়ক অখিল গিরি এবং পটাশপুরের বিধায়ক উত্তম বারিকও।
কাঁথির সমবায় ব্যাঙ্কের নির্বাচনের পর কর্তৃত্বের দখল নিয়ে যেভাবে দুই বিধায়কের গোষ্ঠীর কোন্দল প্রকাশ্যে চলে এসেছে, তাতে যারপরনাই ক্ষুব্ধ স্বয়ং তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সীর মাধ্যমে অখিল এবং উত্তমকে ইতিমধ্যে কড়া বার্তা পাঠিয়েছেন দলনেত্রী। যা থেকে পর্যবেক্ষকদের অনেকের মতে, এরপরই নিজেদের না শুধরালে কঠোর শাস্তির মুখে পড়তে পারেন পূর্ব মেদিনীপুরের এই দুই বিধায়ক।
ডিসেম্বর মাসেই কাঁথি কো-অপারেটিভ ব্যাংকের ভোট পর্ব মিটেছে। ১০৮ জন ডেলিগেট নির্বাচনের এই ভোটে ১০১ জন তৃণমূল কংগ্রেসের ব্যানারে জয়ী হয়েছেন। বাকি সাতজন জয়ী হয়েছেন বিজেপির ব্যানারে। গত সোমবার ডাইরেক্টর নির্বাচনের নমিনেশন ফর্ম তোলার দিন ছিল। আর সেখানেই তৃণমূলের অখিল বনাম উত্তম গোষ্ঠীর বিবাদ চরমে পৌঁছয়।
'চোর-চোর' বনাম 'বোমা মেরে খতমে'র স্লোগান! প্রকাশ্যে তৃণমূলের এমন কাণ্ড দেখে হতবাক হয়ে যান পুলিশের কর্তারাও। বিষয়টি জানতে পেরে বুধবারই বিবাদমান দু'পক্ষকে কলকাতায় ডেকেছিলেন রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সী। সূত্রের খবর, সেখানেই বক্সীর ফোনে ফোন করে অখিল-উত্তমদের কড়া বার্তা দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মনে করিয়ে দিয়েছেন, শৃঙ্খলারক্ষার জন্য দলের অভ্যন্তরে বিশেষ কমিটি রয়েছে। কারও জন্য দলের বদনাম হলে তাঁকে রেয়াত করা হবে না।
সূত্রের খবর, ওই বৈঠকে নেত্রী এও স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছেন, কলকাতা থেকে কাঁথি সমবায়ের ডিরেক্টর পদে যে প্যানেল ঠিক করে দেওয়া হবে, জেলা নেতৃত্বকে তাই মেনে চলতে হবে।