.jpeg)
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও নৈহাটির বড় মা।
শেষ আপডেট: 26 November 2024 17:08
দ্য ওয়াল ব্যুরো: নৈহাটি ফেরিঘাটের নাম হবে এবার বড়মার নামে। শুধু নতুন নামকরণ নয়, সাংসদ কোটার টাকায় ১০ লাখ টাকা ব্যয়ে সেজে উঠবে নৈহাটির ঘাটও। বসানো হবে হাইমাস্ক আলোও। মঙ্গলবার নৈহাটি মন্দিরে পুজো দিতে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখান থেকে ফেরার সময় একথা জানান তিনি।
এদিন বড়মাকে শাড়ি, ফুল দিয়ে পুজো দেওয়ার পাশাপাশি ঘণ্টা বাজিয়ে মঙ্গলারতি করতে দেখা যায় মুখ্যমন্ত্রীকে। মুখ্যমন্ত্রীর গোত্র শুনে চমকে ওঠেন পুরোহিত। পুজোর ডালি হাতে নিয়ে পুরোহিত মুখ্যমন্ত্রীর গোত্র জানতে চান। পরে নিজেই সেকথা জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, "আমার গোত্র হল মা-মাটি-মানুষ। এখানে বলে নয়, আমি সব জায়গাতেই এই গোত্রে পুজো দিই।"
বছরভরই ভক্তদের ভিড় লেগে থাকে নৈহাটিতে। যে কারণে নিরাপত্তাজনিত দাবিও রয়েছে বাসিন্দাদের। স্থানীয়দের সেই দাবির কথা অজানা নয় রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধানেরও। মমতা এদিন মন্দিরে দাঁড়িয়েই জানান, নৈহাটিতে শীঘ্রই পুলিশ ফাঁড়ি তৈরি করা হবে।
এর পাশাপাশি এলাকার মানুষের চিকিৎসা পরিষেবার জন্য নৈহাটি ও ভাটপাড়া হাসপাতালে ওপিডি পরিষেবা চালুর কথাও জানান মুখ্যমন্ত্রী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ব্যারাকপুরে আপনারা পার্থকে (ভৌমিক) জিতিয়েছেন। ও এমপি ল্যাড থেকে দুটি হাসপাতালের ওপিডির জন্য ২ কোটি করে মোট ৪ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে।
বছর পাঁচেক আগে নৈহাটিতে একবার বড়সড় অশান্তির ঘটনা ঘটেছিল। এদিন সেই প্রসঙ্গ টেনে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, "পাঁচ বছর আগে একটা গোলমাল হয়েছিল। মানুষের ওপর অত্যাচার হয়েছিল। ভয়ে কেউ ঘর থেকে বেরোচ্ছিলেন না। তখন ২ ঘণ্টা থেকে পার্টি অফিসগুলো রঙ করে দিয়েছিলাম। পার্টি অফিসটা রঙ করা উদ্দেশ্য ছিল না, উদ্দেশ্য ছিল মানুষের সাহস জোগান। শান্তি ফেরাতে তারপরও নৈহাটিতে ২ বার এসেছিলাম, সেদিন অনেক অকথা কুকথা শুনতে হয়েছিল।"
মুখ্যমন্ত্রী এও বলেন, লোকের অকথা কুকথা নিয়ে ভাবি না। মানুষের কাজ করে যেতে যায়। রাজ্যবাসীর মঙ্গল কামনায় তাই মায়ের কাছে এসেছিলাম।