
রামলালার প্রথম জন্মদিনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর শুভেচ্ছা ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শান্তি বজায় রাখার বার্তা - দ্য ওয়াল ফাইল ।
শেষ আপডেট: 17 April 2024 12:54
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বুধবার রামনবমী। আলোকসজ্জায় সেজে উঠেছে অযোধ্যার রামমন্দির। গত জানুয়ারিতেই রামলালার প্রাণপ্রতিষ্ঠা করা হয়। তারপর থেকে দেশজুড়ে রামনবমী নিয়ে আগ্রহ ছিল তুঙ্গে। চৈত্র নবরাত্রি নিয়ে সারা দেশে তৈরি হয়েছে উৎসবের আবহ। মেতে উঠেছেন ভক্তেরা।
বুধবার রামমন্দির প্রতিষ্ঠার পর প্রথম রামনবমীর কথা উল্লেখ করে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি লেখেন, “রামমন্দির প্রতিষ্ঠার পর প্রথম রামনবমী। এইদিনের অপেক্ষায় ছিল দেশবাসী।” এক্স হ্যান্ডেলে সকলকে রামনবমীতে শান্তি বজায় রাখার বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
The first Ram Navami after the Pran Pratishtha in Ayodhya is a generational milestone, weaving together centuries of devotion with a new era of hope and progress. This is a day crores of Indians waited for. Innumerable people devoted their lives to this sacred cause.
— Narendra Modi (@narendramodi) April 17, 2024
May the… pic.twitter.com/2aJMLn1hhI
গত কয়েক বছর ধরে রাজ্যে রামনবমীর মিছিল দেখা গিয়েছে। ২০২২ সালের পর ২০২৩ সালেও রামনবমীর শোভাযাত্রাকে ঘিরে শিবপুর এবং হাওড়া থানা এলাকায় ব্যাপক সংঘর্ষ এবং গন্ডগোলের ঘটনা ঘটে। গতবার সংঘর্ষের ঘটনায় ৩৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়। পরে রাজ্য পুলিশের তদন্তভার হাইকোর্টের নির্দেশে এনআইএ-র হাতে যায়। গত সোমবার চলতি বছরে শ্রীরামপুরের পর হাওড়ায় রামনবমীর শোভাযাত্রার অনুমতি দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট।
Greetings to all on the auspicious occasion of Ram Navami. I appeal to maintain peace, prosperity and development for all.
— Mamata Banerjee (@MamataOfficial) April 17, 2024
ইতিমধ্যেই বুধবার সকাল থেকে বাংলার বিভিন্ন জায়গায় শোভাযাত্রা শুরু হয়েছে। নিউটাউনে রামনবমীর অনুষ্ঠানে সামিল হয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। বিভিন্ন জায়গায় শোভাযাত্রার প্রস্তুতি চলছে। কোনও রকম অপ্রীতিকর পরিস্থিতি যাতে না হয় সেজন্য পুলিশের কড়া নজরদারি রয়েছে।
অন্যদিকে, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে রাম নবমী পালন নিয়ে আগেই তৈরি হয়েছিল বিতর্ক। বিশ্ববিদ্যালয়ের একাংশ পড়ুয়াকে রাম নবমী পালনে অনুমতি দিলেও তা প্রত্যাহার করেছে কর্তৃপক্ষ। ক্যাম্পাসে শান্তি শৃঙ্খলা বিঘ্নিত হতে পারে। সম্প্রীতি বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কায় জরুরি ভিত্তিতে অনুমতি প্রত্যাহার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।