
শেষ আপডেট: 26 October 2022 17:00
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বুধবার কংগ্রেস সভাপতি পদে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন মল্লিকার্জুন খাড়্গে (Mallikarjun Kharge)। এরপরই রীতি মেনে দলের ওয়ার্কিং কমিটির সদস্যরা পদত্যাগপত্র তুলে দেন নতুন সভাপতির হাতে। যাতে তিনি নতুন ওয়ার্কিং কমিটি (working committee) গড়ে নিতে পারেন।
ওয়ার্কিং কমিটিই কংগ্রেসের সর্বোচ্চ সাংগঠনিক কমিটি। নতুন কমিটি গঠিত না হওয়া পর্যন্ত কাজ চালাতে খাড়্গে আজ ৪৭ জনের স্টিয়ারিং কমিটি গড়েছেন। তাতে সনিয়া, রাহুল, প্রিয়াঙ্কারা তিনজনই আছেন। তাঁরা ওয়ার্কিং কমিটিতেও ছিলেন। আগের ওয়ার্কিং কমিটির প্রায় সব সদস্যকেই স্টিয়ারিং কমিটিতে রেখেছেন খাড়্গে। বিক্ষুব্ধ জি-২৩-এর অন্যতম সদস্য আনন্দ শর্মারও ঠাঁই হয়েছে।
কিন্তু ঠাঁই পাননি সভাপতি নির্বাচনে খাড়্গের একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী শশী তারুর। ঠাঁই না পাওয়াদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য দুটি নাম হল দলের দুই মুখ্যমন্ত্রী রাজস্থানের অশোক গেহলট এবং ছত্তিশগড়ের ভূপেশ বাঘেল।
তেমনই স্থান পাওয়াদের অন্যতম হলেন রাজস্থানে গেহলটের প্রতিপক্ষ শিবিরের মুখ সচিন পাইলট। সচিনকে কমিটিতে রাখার দুটি ব্যাখ্যা পাওয়া যাচ্ছে কংগ্রেস মহল থেকে। এক. সনিয়া গান্ধীর প্রস্তাব উপেক্ষা করে সভাপতি পদের লড়াই থেকে সরে দাঁড়ান গেহলটকে গোড়াতেই বার্তা দিলেন খাড়্গে। দুই. গেহলটকে রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী রেখে সচিনকে পরবর্তী ওয়ার্কিং কমিটিতে এনে রাজনৈতিকভাবে শক্তিশালী করে তোলা। খাড়্গে ইতিমধ্যেই জানিয়ে দিয়েছেন উদয়পুর ঘোষণা মেনে দলের সব স্তরের কমিটিতেই ৫০ শতাংশ পদে তিনি ৫০ বছরের কম বয়সিদের জায়গা দেবেন।
লোকসভার দলনেতা হিসাবে অধীর চৌধুরী (Adhir Chowdhury) ওয়ার্কিং কমিটির আমন্ত্রিত সদস্য ছিলেন। স্টিয়ারিং কমিটিতেও রাখা হয়েছে অধীরকে।
কেরলে রাজ্যপালের এবার দাবি, বরখাস্ত করা হোক অর্থমন্ত্রীকে, মুখ্যমন্ত্রীর জবাব, প্রশ্নই ওঠে না