দ্য ওয়াল ব্যুরো : উত্তরপ্রদেশের ফিরোজাবাদে গণধর্ষণের পরে ধর্ষিতার ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দিয়েছিল তিন দুষ্কৃতী। অপমানে আত্মহত্যা করে মেয়েটি । সেই অপরাধে মূল অভিযুক্ত অমিত কুমার আত্মহত্যা করেছে শনিবার ।
পুলিশ জানিয়েছে, অমিত বাড়ির ছাদে এক লোহার রডে ফাঁস লাগিয়ে গলায় দড়ি দেয়। সুইসাইড নোটে লিখে গিয়েছে, ধর্ষণের অভিযোগ মিথ্যা । মেয়েটির সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল ।
অন্যদিকে গণধর্ষিতা সুইসাইড নোটে তাঁর মৃত্যুর জন্য যে তিনজনকে দায়ী করেছেন, তার মধ্যে অমিতের নাম আছে । পুলিশ দুটি সুইসাইড নোটের হাতের লেখা পরীক্ষা করার জন্য বিশেষজ্ঞদের কাছে পাঠিয়েছে । অমিতের দাদা উলটে অভিযোগ করেছেন, গণধর্ষিতার স্বামী তাঁর ভাইকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দিয়েছিলেন ।
অমিতের বয়স ছিল ২৪। পেশায় দিনমজুর । তার ছোট ভাই জিতেন্দ্রও গণধর্ষণের মামলায় অভিযুক্ত। স্থানীয় জাসরানা থানার কার্যনির্বাহী এসএইচও আর বি সিং জানিয়েছেন, গত ১৬ জুলাই গণধর্ষিতার স্বামী অভিযোগ করেন, অমিত, অনিল ও জিতেন্দ্র নামে তিনজন তাঁর স্ত্রীকে ধর্ষণ করে আপত্তিকর ভিডিও ছড়িয়ে দিয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায় । সেই অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তিনজনের নামে এফআইআর করে ।
পুলিশ ধর্ষিতার বয়ান রেকর্ড করে ২৬ জুলাই। তার ভিত্তিতে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে এফআইআরে অন্যের বাড়িতে জোর করে ঢোকা, শারীরিকভাবে অপরের ক্ষতি করা ও গণধর্ষণের অভিযোগ ঢোকানো হয় । ২৮ জুলাই বিচারকের সামনে ধর্ষিতার বয়ান রেকর্ড করার কথা ছিল ।
শুক্রবার পুলিশ জানতে পারে সেই মহিলা আত্মহত্যা করেছেন।