
অশোক সাউ
শেষ আপডেট: 18 November 2024 15:53
দ্য ওয়াল ব্যুরো: গত বুধবার উপনির্বাচনের দিন সকালে জগদ্দল থানা থেকে ঢিল ছড়া দূরত্বে দুষ্কৃতীদের গুলিতে খুন হন তৃণমূল নেতা অশোক সাউ। এই ঘটনায় দুজনকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। তবে মূল অভিযুক্ত ছিল অধরা। তাকেই এবার গ্রেফতার করা হল। ধৃতের নাম সুজল প্রসাদ। তার সঙ্গে আরও একজন ধরা পড়েছে পুলিশের জালে। সব মিলিয়ে গ্রেফতারির সংখ্যা চার।
অশোক সাউয়ের পরিবার সুজল প্রসাদকেই মূল ষড়যন্ত্রকারী হিসেবে দাবি করেছে। কিন্তু কেন সে খুন করল অশোককে, এই প্রশ্নের উত্তর এখনও স্পষ্টভাবে পায়নি পুলিশ। তবে অনুমান করা হচ্ছে, বদলা নিতেই তৃণমূল নেতাকে খুন করেছে সে। সূত্রের খবর, ভোট পরবর্তী হিংসায় সুজলের দাদা আকাশের মৃত্যু হয় বলে অভিযোগ উঠেছিল। সেই ঘটনায় অন্যতম অভিযুক্ত ছিলেন অশোক সাউ। দাদার খুনের বদলা নিতেই এই ঘটনা ঘটিয়েছে সুজল বলে ধারণা করছে পুলিশ।
তৃণমূল নেতা খুনের ঘটনায় এর আগে কাউসার আলি এবং সুজল পাসোয়ান নামে দুই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
গত বুধবার ছিল নৈহাটি বিধানসভার উপনির্বাচন। সাতসকালেই ভাটপাড়া পুরসভার ১২ নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূলের প্রাক্তন ওয়ার্ড প্রেসিডেন্টকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় দুষ্কৃতীরা। অশোক সাউ বাজার করতে বেরিয়েছিলেন। তখনই এই হামলা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় ভাটপাড়া স্টেট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় ওই তৃণমূল নেতাকে। অবস্থার অবনতি হওয়ায় ব্যারাকপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁকে। সেখানেই মৃত্যু হয় তাঁর।
প্রত্যক্ষদর্শীরা এও জানান, গুলি করে পালানোর সময় বোমা ছুড়তে ছুড়তে পালিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা। খবর পেয়ে ব্য়ারাকপুরের পুলিশ কমিশনার অলোক রাজোরিয়া ঘটনাস্থলে পৌঁছন। স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। বেশ কয়েকজনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন মৃতের পরিবারের লোকজন।