
শেষ আপডেট: 29 July 2023 10:17
দ্য ওয়াল ব্যুরো: মাইহারে ১১ বছরের কিশোরীকে গণধর্ষণ (Maihar gang rape) করার ঘটনায় এবার দুই অভিযুক্তের বাড়ি বুলডোজার দিয়ে ভেঙে গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন (house demolished)।
দুই অভিযুক্ত রবীন্দ্র কুমার এবং অতুল ভাদোলিয়া কিশোরীকে ধর্ষণ করার পাশাপাশি নারকীয় নির্যাতন করে। তাকে মারধর করে তার যৌনাঙ্গে শক্ত কোনও জিনিস ঢুকিয়ে দেয় অতুল এবং রবীন্দ্র, জানিয়েছে পুলিশ। যদিও শারীরিক পরীক্ষার পরেই পুরো বিষয়টা নিশ্চিত করা যাবে বলে জানিয়েছেন তাঁরা।
সূত্রের খবর, দুই অভিযুক্তই মাইহারের বিখ্যাত মা সারদা মন্দিরের (Maa Sharda Devi Temple) গোশালার কর্মী। ঘটনা সামনে আসার পরই সেটি নিয়ে রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়। কিশোরীকে যে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল সেখানে গিয়ে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে উন্মত্ত জনতা। এমনকী, নারীদের নিরাপত্তা দিতে শিবরাজ সিং চৌহান সরকার ব্যর্থ বলে দাবি করেন সে রাজ্যের কংগ্রেস নেতা কমল নাথ। এরপরেই মাইহার পুরসভার মুখ্য পুর আধিকারিক দুই অভিযুক্তের বাড়ি ও জমির কাগজপত্র দেখতে চেয়ে নোটিস পাঠান।
পুলিশের সাব ডিভিশনাল অফিসার লোকেশ দাবার জানিয়েছেন, প্রাথমিক তদন্তে উঠে আসে দুই অভিযুক্তের বাড়ির নির্মাণ বেআইনি। রবীন্দ্রর বাড়ি তৈরির জন্য নাকি পুরসভার অনুমতিই মেলেনি। অন্যদিকে অতুলের বাড়ি নাকি সরকারি জমির উপর গড়ে উঠেছিল। এরপর শনিবার সকালেই দুটি বাড়ি বুলডোজার দিয়ে ভেঙে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন দাবার।
সূত্রের খবর, তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত বাড়ি ভাঙার কাজ বন্ধ রাখার জন্য পুরসভার আধিকারিকদের কাছে অনুরোধ জানিয়েছিলেন অভিযুক্তের বাড়ির লোকজন। কিন্তু সে কথায় কর্ণপাত করা হয়নি।
https://twitter.com/Anurag_Dwary/status/1685204497868734464?ref_src=twsrc%5Etfw%7Ctwcamp%5Etweetembed%7Ctwterm%5E1685204497868734464%7Ctwgr%5E38bca11eb2b2e18640a8fcefdbd42d6d2ff88b47%7Ctwcon%5Es1_&ref_url=https%3A%2F%2Fwww.ndtv.com%2Findia-news%2Fmaihar-gangrape-madhya-pradesh-minor-rape-houses-of-2-men-accused-of-raping-brutalising-12-year-old-girl-demolished-4250850
উল্লেখ্য, শুক্রবার সকালে মধ্যপ্রদেশের সাতনা জেলার মাইহারের মা সারদা মন্দিরের পাশের জঙ্গলে কিশোরীকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। তার শরীরে ছিল অজস্র ক্ষত এবং কামড়ের দাগ। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে প্রাথমিকভাবে মাইহারের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হলেও পরে রেওয়াতে স্থানান্তরিত করা হয়। কিশোরীকে গণধর্ষণ করার বিষয়টি নিশ্চিত করেছিল পুলিশ। তাকে মারধর করার পাশাপাশি যৌনাঙ্গে লাঠি জাতীয় কোনও জিনিস প্রবেশ করানোর কথাও জানিয়েছিলেন তদন্তকারীরা।
সেই ঘটনায় অতুল এবং রবীন্দ্রকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তাদের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধি এবং পকসো আইনের ধারা অনুযায়ী মামলা রুজু করা হয়েছে। আদালতে পেশ করা হলে বিচারক তাদের ১৪ দিনের বিচারবিভাগীয় হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন।
এই ঘটনায় বিবৃতি জারি করে রবীন্দ্র এবং অতুলকে বহিষ্কার করার কথা জানিয়েছে মা সারদা দেবী মন্দির কর্তৃপক্ষ। তাদের কুকীর্তির জেরে মন্দিরের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন তাঁরা।
৩ দিন ধরে গতিবিধি নজরে রেখে খুন বোনকে! দাদার বিয়ের প্রস্তাবে না বলেছিল সে