
মাহেশে জগন্নাথদেবের স্নানযাত্রা।
শেষ আপডেট: 22 June 2024 09:29
দ্য ওয়াল ব্যুরো: শনিবারে হুগলির মাহেশে সাড়ম্বরে অনুষ্ঠিত হল জগন্নাথদেবের স্নানযাত্রা। এবারে এই স্নানযাত্রা ৬২৮ বছরে পা দিল।
স্নানযাত্রাকে ঘিরে সকাল থেকেই উৎসব মুখর মাহেশ। সকালে মঙ্গল আরতি, নিমকাঠের দাঁতনের পর, সুগন্ধি, দুধ, গঙ্গাজল-সহ পঞ্চদ্রব্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হল জগন্নাথদেবের অভিষেক স্নান। জগন্নাথদেবের রথযাত্রাকে ঘিরে এদিন ভক্তদের ঢল নেমেছে পুরী এবং মায়াপুরেও।
আগামী ৭ জুলাই সোজারথ। প্রচলিত রীতি অনুযায়ী, স্নানযাত্রার পর জগন্নাথদেবের কাঁপুনি দিয়ে জ্বর আসে। যে কারণে কয়েকদিন বন্ধ থাকবে মন্দির। রথযাত্রার দু'দিন আগে হবে নব কলেবর উৎসব। সেদিনই খোলা হবে জগন্নাথদেবের মন্দির।
সুগন্ধি, দুধ, গঙ্গাজল-সহ পঞ্চদ্রব্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হল জগন্নাথদেবের অভিষেক স্নান।
পুরাণে কথিত রয়েছে, বৈশাখ, জৈষ্ঠের প্রবল গরমের পর আষাঢ়ের পূর্ণিমায় গায়ে জল ঢেলে অঙ্গ জুড়ান জগন্নাথ, বলরাম ও সুভদ্রা। যে কারণে এই উৎসবের নাম স্নানযাত্রা।
সেই মতো এদিন দেড়মণ দুধ ও ২২ ঘড়া গঙ্গাজলে জগন্নাথদেবের স্নানযাত্রা সম্পন্ন হয়। যা দেখতে হুগলি তো বটেই সারা রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বহু পুণ্য়ার্থীরা হাজির হয়েছিলেন।
কাকভোরে স্নানযাত্রার জন্য জগন্নাথ, বলরাম ও সুভদ্রাকে মন্দিরের গর্ভগৃহ থেকে বের করা হয়। তারপরই সাড়ম্বরে হয় স্নানযাত্রা। তবে পুরীতে ১২ বছর অন্তর নব কলেবর হলেও মাহেশে বিগ্রহের কোনও পরিবর্তন করা হয় না। শুরু থেকে একই বিগ্রহে পুজো করা হচ্ছে।