
শেষ আপডেট: 26 October 2022 02:59
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ২০২৪-এর মার্চ-এপ্রিল-মে নির্ধারিত লোকসভার পরবর্তী সাধারণ নির্বাচন। ওই বছরই অক্টোবর-নভেম্বর নাগাদ হবে মহারাষ্ট্র (Maharashtra) বিধানসভার ভোট। এই দুই নির্বাচনকে সামনে রেখে বড় রাজনৈতিক পদক্ষেপ করল সেখানকার বিরোধী জোটের দুই শরিক এনসিপি (NCP) এবং শিবসেনার (Shivsena) উদ্ধব গোষ্ঠী। দুই দলই সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা রাহুল গান্ধীর ভারত জোড়ো যাত্রায় (Bharat Jodo Yatra) অংশ নেবে।
রাহুলের সঙ্গে পা মেলাতে পারেন এনসিপি সুপ্রিমো শরদ পাওয়ার এবং শিবসেনার উদ্ধব ঠাকরেও।
আপাতত ঠিক হয়েছে, আগামী মাসে ভারত জোড়ো যাত্রা মহারাষ্ট্রে প্রবেশ করলে এনসিপি’র তরফে শরদ পাওয়ারের মেয়ে তথা এনসিপি সাংসদ সুপ্রিয়া সুলে এবং শিবসেনার তরফে উদ্ধব ঠাকরের ছেলে আদিত্য যোগ দেবেন। মহারাষ্ট্রের কংগ্রেস নেতা তথা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অশোক চৌহান এনসিপি ও শিবসেনার উদ্ধব গোষ্ঠীর সঙ্গে আলোচনা চালাচ্ছেন। পাওয়ার এবং উদ্ধবেরও কংগ্রেসের যাত্রায় অংশ নেওয়ার সম্ভাবনা প্রবল।
এনসিপি এবং শিবসেনা-উদ্ধব গোষ্ঠীর রাহুলের ভারত জোড়া যাত্রায় অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্তকে রাজনৈতিক মহল খুবই তাৎপর্যপূর্ণ মনে করছে। এই তিন দল মিলেই ২০১৯-এ মহারাষ্ট্রে সরকার গড়েছিল। বিজেপির সঙ্গে সম্পর্ক ছেদ করে এনসিপি ও কংগ্রেসের সমর্থনে সেবার সরকার গড়েন উদ্ধব। কিন্তু শিবসেনারই অন্তর্বিরোধের কারণে এ বছর জুনে জোট সরকারের পতন হয়।
ক্ষমতা হারালেও জোট এখনও অক্ষত আছে তিন দলের। পাওয়ার এবং উদ্ধব ২০২৪-এর লোকসভা এবং মহারাষ্ট্র বিধানসভার নির্বাচনের কথা মাথায় রেখে এখন থেকেই নিজেদের বোঝাপড়া মজবুত করতে আগ্রহী। সেই কারণেই কংগ্রেসের কর্মসূচিতে পা মেলানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুই দল।
শরদ পাওয়ারের বক্তব্য, কংগ্রেসের কর্মসূচি হলেও ভারত জোড়ো যাত্রার উদ্দেশ্য মহৎ। মানুষ রাহুল গান্ধীর ডাকে সাড়া দিয়েছেন। তাই এনসিপি এই অভিযানে পা মেলানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে ভারত জোড় যাত্রা ৭ নভেম্বর মহারাষ্ট্রে প্রবেশ করতে চলেছে। উদ্ধবের শিবসেনার এক গুরুত্বপূর্ণ নেতার কথায়, আমাদের হারানোর কিছু নেই। দলের ৫৪ জন বিধায়কের ৪০ জন একনাথ শিন্ডের সঙ্গে চলে গিয়েছেন। ২০ জন সাংসদের ১৮ জন একনাথের সঙ্গে হাত মিলিয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে বিজেপি বিরোধী কর্মসূচি যে দলই করুক, উদ্ধব ঠাকরের তাতে যোগদানে আপত্তি নেই।
কংগ্রেসের ভারত জোড়া যাত্রা গত ৭ সেপ্টেম্বর তামিলনাড়ুর কন্যাকুমারী থেকে শুরু হয়েছে। দেড়শো দিনে ৩৫৭০ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে অভিযাত্রীরা জম্মু-কাশ্মীরে পৌঁছবেন। আগামী ৭ নভেম্বর তেলেঙ্গানা থেকে অভিযাত্রীরা মহারাষ্ট্রে প্রবেশ করবেন। ওই রাজ্যে ৩৮২ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করার কথা তাঁদের। মহারাষ্ট্রে থাকাকালে রাহুলের দুটি বড় জনসভাও করার কথা। সভা দুটিতে পাওয়ার ও উদ্ধবকে হাজির করানোর চেষ্টা চালাচ্ছেন কংগ্রেস নেতারা।
দায়িত্ব নিয়েই চার মন্ত্রীকে সরালেন ঋষি সুনাক, উপ প্রধানমন্ত্রী পদে ফিরলেন ডমিনিক রাব