দ্য ওয়াল ব্যুরো: সাত সাগর আর তেরো নদীর পাড়ে থাকা বাঙালিদের কাছে পৌঁছতে ইতিমধ্যেই বিভিন্ন পরিকল্পনা নিয়েছে বিজেপি। গেরুয়া শিবিরের তরফে নিয়োগ করা হয়েছে হাইপ্রোফাইল ম্যানেজারদের। এবার শুধু ভিন দেশে থাকা বাঙালি নয়। দেশের বিভিন্ন রাজ্যে থাকা বাঙালি মহল্লায় যাতায়াত শুরু করে দিল ভারতীয় জনতা পার্টি।
মধ্যপ্রদেশের রাজধানী ভোপালে প্রচুর বাঙালি রয়েছেন। সেখানেই থাকেন অমিতাভ বচ্চনের শাশুড়ি তথা জয়া বচ্চনের মা ইন্দিরা ভাদুড়ি। শুক্রবার সন্ধ্যায় তাঁর বাড়িতে পৌঁছে গিয়েছিলেন মধ্যপ্রদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নরোত্তম মিশ্র।
তাঁর সঙ্গে দেখা করে শিবরাজ সিং চৌহান মন্ত্রিসভার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, বাংলায় সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য আপনার মতামত রাখুন। পরিচিতদের বলুন। একটা গর্বের রাজ্য কী ভাবে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে ভাবা যায় না!
জয়া বচ্চনের বৃদ্ধা মায়ের সঙ্গে দেখা করে বেরিয়ে মধ্যপ্রদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, "বৃহস্পতিবার বাংলার মাটিতে বিজেপি সভাপতি জেপি নাড্ডার কনভয়ে হিংসাত্মক হামলা চালিয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল। পশ্চিমবঙ্গে এখন নির্মমতা দিদির শাসন চলছে। এর অবসান ঘটানো প্রয়োজন।"
মধ্যপ্রদেশের ৪৮টি বিধানসভা এলাকায় বাঙালিদের বসবাস রয়েছে। এই সমস্ত এলাকায় তাঁদের সঙ্গে সেতুবন্ধন করার জন্য নরোত্তম মিশ্রকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। সেই কাজ শুরু করে দিলেন মধ্যপ্রদেশের রাজনীতিতে ক্রাইসিস ম্যানেজার বা ট্রাবল শ্যুটার হিসেবে পরিচিত নরোত্তম।
ভিন রাজ্যে বা ভিন দেশে যে বাঙালিদের কাছে বিজেপি পৌঁছচ্ছে তাঁদের হয়তো অনেকেই এখন আর বাংলার ভোটার নয়। সেটা বিজেপির অজানা নয়। কিন্তু বাংলায় থাকা আত্মীয়, পরিজন, পরিচিতদের মধ্যে তাঁদের সামাজিক গুরুত্ব রয়েছে। সেটাকেই কাজে লাগাতে চায় বিজেপি।