মদন মিত্রের বক্তব্যের পাল্টা জবাব দিয়েছেন বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। এদিন তিনি কার্যত কটাক্ষ করেই বলেন, 'ওনার হাত সোজা আছে এখনও। হাত-পা'ই তো নড়ে না। এসব ডায়লগ মেরে দলে বেঁচে থাকার কৌশল।'

ফাইল চিত্র
শেষ আপডেট: 19 July 2025 22:39
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বাংলাদেশি তকমা দিয়ে বাঙালিদের গায়ে হাত দিলে ছেড়ে কথা বলবে না তৃণমূল, ২১ জুলাইয়ের প্রস্তুতি সভা থেকে বিজেপিকে এই হুঁশিয়ারিই দিলেন তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্র (Madan Mitra attack BJP)। বর্তমান সময়ে বাংলাদেশির অনুপ্রবেশ এবং বাঙালিদের হেনস্থা রাজনীতির অন্যতম ইস্যু হয়ে উঠেছে। এনিয়ে রাজ্যে শাসক-বিরোধী সংঘাত তুঙ্গে।
কামারহাটির বিধায়ক বলেন, 'বাংলা গান গাইতে পারে। বাংলা কবিতা লিখতে পারে। বাংলা ভালবাসতে পারে। কিন্তু যদি কেউ মনে করে থাকেন বাংলা বা বাঙালি মানুষ প্রয়োজনে প্রতিবাদ করতে পারে না তাহলে জেনে রেখে দিন, যেদিন একটা বাঙালির গায়ে বাংলাদেশি তকমা দিয়ে হাত পড়বে সেদিন কিন্তু বিজেপির ওই হাতের মুঠো কীভাবে মুচড়ে ভেঙে দিতে হয় তার জন্য তৃণমূলের কর্মীরা তৈরি আছে।'
মদন মিত্রের বক্তব্যের পাল্টা জবাব দিয়েছেন বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। এদিন তিনি কার্যত কটাক্ষ করেই বলেন, 'ওনার হাত সোজা আছে এখনও। হাত-পা'ই তো নড়ে না। এসব ডায়লগ মেরে দলে বেঁচে থাকার কৌশল।'
ভারতবর্ষের বিভিন্ন রাজ্যে বাঙালিদের হেনস্থা করা হচ্ছে, এই অভিযোগ তুলে গত ১৬ জুলাই পথে নামেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সভামঞ্চ থেকে বিজেপিকে কাঠগড়ায় তুলে তিনি বলেছিলেন, “ভোট চাইতে গেলে মতুয়াদের দরজায় হাতজোড় করেন, অথচ সুযোগ পেলেই তাঁদের উপর নির্যাতন চালানো হয়।”
অনুষ্ঠান মঞ্চ থেকে বাংলার পরিযায়ী শ্রমিকদের উদ্দেশেও বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, “আমার কাছে যদি একটি রুটি থাকে, সেটার অর্ধেক আপনাদের দেব। বাইরে গিয়ে অসম্মানিত হয়ে থাকার প্রয়োজন নেই। বিজেপিকে বিশ্বাস করবেন না। ওরা ভয়ঙ্কর হয়ে উঠেছে।”
অন্যদিকে, বাংলায় অনুপ্রবেশ নিয়ে একাধিকবার রাজ্য সরকারকে আক্রমণ শানিয়েছে বিজেপি। শুক্রবার বঙ্গসফরে এসে দুর্গাপুরের সভা থেকে একই ইস্যুতে সুর চড়ান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তাঁর কথায়, বিজেপির জন্য বাঙালি অস্মিতা সবার উপরে।