একটা ট্যাবলেট ৪৯ টাকা, করোনার ওষুধ 'কোভিহল্ট' বাজারে আনল লুপিন
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ৪৯ টাকায় একটা ট্যাবলেট। তুলনামূলক সস্তায় কোভিড-১৯ আক্রান্তদের চিকিত্সার জন্য ‘কোভিহল্ট’ ব্র্যান্ড নামে ফ্যাভিপিরাভির ড্রাগ নিয়ে এল লুপিন। সংস্থার পক্ষে বলা হয়েছে, এই ওষুটি মৃদু থেকে মাঝারি উপসর্গ থাকা রোগীদের চিকিৎসায় ব্য
শেষ আপডেট: 4 August 2020 18:30
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ৪৯ টাকায় একটা ট্যাবলেট। তুলনামূলক সস্তায় কোভিড-১৯ আক্রান্তদের চিকিত্সার জন্য ‘কোভিহল্ট’ ব্র্যান্ড নামে ফ্যাভিপিরাভির ড্রাগ নিয়ে এল লুপিন। সংস্থার পক্ষে বলা হয়েছে, এই ওষুটি মৃদু থেকে মাঝারি উপসর্গ থাকা রোগীদের চিকিৎসায় ব্যবহার করা যাবে। উল্লেখ্যে, ভারতে আরও তিনটি সংস্থা ফ্যাভিপিরাভির তৈরির কাজ করছে। গ্লেনমার্ক, জেনারা ফার্মা এবং সান ফার্মাসিউটিক্যাল। চার সংস্থাই ফ্যাভিপিরাভির ওষুধ তৈরি ও বিক্রির জন্য ড্রাগ কন্ট্রোলের অনুমতিও পেয়েছে। সান ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজের ফ্যাভিপিরাভির ওষুধের ব্র্যান্ড নাম ফ্লুগার্ড। ইতিমধ্যেই সেই ওষুধ বাজারে এসেছে ভারতে তাদের প্রতিটি ট্যাবলেটের দাম ৩৫ টাকা। গ্লেনমার্কের ফ্যাভিফ্লু ওষুধের একটি ট্যাবলেটের দাম ১০৩ টাকা পড়বে বলে আগেই জানা গিয়েছিল। যদিও পরে জানানো হয় সেই দাম কমতে পারে।
আরও পড়ুন
ভারতের অন্যতম বড় ওষুধ প্রস্তুতকারী সংস্থা লুপিন জানিয়েছে, চিকিৎসার সুবিধার কথা মাথায় রেখে কোভিহল্ট-এর ডোজ নির্ধারণ করা হয়েছে। ২০০ মিলিগ্রামের ১০টি ট্যাবলেটের একটি স্ট্রিপ মিলবে। প্রতিটি ট্যাবলেটের দাম পড়বে ৪৯ টাকা। লুপিনের ভারতীয় শাখার প্রেসিডেন্ট রাজীব সিবল জানিয়েছেন, সাধারণ মানুষ যাতে এই ওষুধ সহজে পান তার ব্যবস্থা করবে সংস্থা। লুপিন কোভিড-১৯ এর ওষুধ বাজারে আনায় সংস্থার শেয়ারের দামও এদিন অনেকটা বেড়ে যায়। বম্বে স্টক এক্সচেঞ্জে লুপিনের শেয়ার দর ০.৩২ শতাংশ বেড়ে ৯৪৩.৭০ টাকা হয়।
চিন, জাপান, ইতালিতে করোনা রিকভারি ট্রায়ালে ফ্যাভিপিরাভিরের রিপোর্ট ভালর দিকে থাকায় দেশেও এই ওষুধের ক্লিনিকাল ট্রায়াল শুরু করেছিল ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিক্যাল রিসার্চ (আইসিএমআর) এবং সরকারি সংস্থা সেন্টার ফর সায়েন্টিফিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল রিসার্চ তথা সিএসআইআর। করোনা থেরাপির সলিডারিটি ট্রায়ালে রেমডেসিভির, টোসিলিজুমাবের মতো ফ্যাভিপিরাভিরের প্রয়োগও সম্মতি দিয়েছিল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক। ড্রাগ কন্ট্রোলের গাইডলাইনে বলা হয়েছিল, করোনা সংক্রমণ যদি মৃদু বা মাঝারি হয়, তবেই নির্দিষ্ট ডোজে এই ওষুধ প্রয়োগ করা যাবে। জরুরি ভিত্তিতেই ফ্যাভিপিরাভিরের প্রয়োগ করার কথা বলা হয়েছে নির্দেশিকায়। কেন্দ্রীয় ড্রাগ কন্ট্রোলার ভি জি সোমানি জানান, মৃদু ও মাঝারি সংক্রমণের রোগীদের উপরেই জরুরি ভিত্তিতে ফ্যাভিপিরাভিরের থেরাপি করা যাবে।