
শেষ আপডেট: 21 July 2022 07:15
দ্য ওয়াল ব্যুরো: উদ্বোধনের পর থেকেই বিতর্কের শিরোনামে লখনউয়ের লুলু শপিংমল (Lulu Mall)। মলের ভেতরে নামাজ এবং হনুমান চালিশা পড়া নিয়ে সরগরম উত্তরপ্রদেশের রাজনীতি। এবার গতকাল অর্থাৎ মঙ্গলবার সেই লুলু মলে নামাজ পড়ার জন্য চারজনকে গ্রেফতার করার খবরে কিছু ভুল তথ্য রয়েছে বলে দাবি করল লখনউ পুলিশ কমিশনারেট। জানানো হয়েছে যে, যাদেরকে শপিংমলের ভেতরে নামাজ এবং হনুমান চালিসা পড়ার জন্য গ্রেফতার করা হয়েছে, এদের মধ্যে অনেকেই ইচ্ছাকৃতভাবে বিতর্ক ছড়ানোর চেষ্টা করেছে। কয়েকজন হিন্দু মুসলমান সেজে মলের ভেতরে ঢুকে নামাজ পড়ার চেষ্টা করেছিল, এবং সেই ভিডিও ইন্টারনেটে ভাইরাল করার পরিকল্পনাও ছিল বলে জানা গেছে।
মঙ্গলবার পুলিশ স্পষ্ট করেছে যে সরোজ নাথ যোগী, কৃষ্ণ কুমার পাঠক এবং গৌরব গোস্বামীকে গত ১৫ জুলাই মলের (Lulu Mall) ভিতরে হনুমান চালিশা পাঠের চেষ্টা করার জন্য গ্রেফতার করা হয়েছিল। একই দিনে আরশাদ আলি নামে আরেক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়। সে মলের ভেতরে নামাজ পড়ার চেষ্টা করছিল। এরপরই পুলিশ স্পষ্ট করেছে যে, এই ব্যক্তিদের মধ্যে কেউই সেই ভিডিওতে ছিলেন না, যা প্রথমদিন ভাইরাল হয়েছিল।
শপিং মলে নমাজের পাল্টা হনুমান চালিশা! লখনউয়ে গ্রেফতার দুই
উল্লেখ্য, গত জুলাই প্রথম ভাইরাল হওয়া সেই ভিডিওতে দেখা যায় মলের ভেতরে ৪ জন ব্যক্তি নামাজ পড়ছে। এরপরই তাদের গ্রেফতার করা হয়। তাদের নাম মহম্মদ রেহান, মোহাম্মদীর আতিফ খান, মহম্মদ লোকমান আলি এবং মহম্মদ নোমান আলি। প্রথমজন লখনউয়েরই বাসিন্দা। দ্বিতীয় জন লখিমপুর খেরী এলাকায় থাকে। তৃতীয় ও চতুর্থ জন যথাক্রমে লহরপুর ও সীতাপুরের বাসিন্দা।
এমনই চাঞ্চল্যকর বিতর্কের মধ্যে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ কঠোর হাতে পরিস্থিতির মোকাবিলা করার নির্দেশ দিয়েছিলেন প্রশাসনকে। এরপরেই মঙ্গলবার ৪জনকে গ্রেফতার করা হয়। যোগী বলেন, 'ব্যবসার জায়গাকে কিছু লোক ধর্ম এবং রাজনৈতিক ক্ষেত্রে পরিণত করার চেষ্টা করছে কিছু মানুষ। শপিংমলে (Lulu Mall) ঘুরতে আসা মানুষদেরও এতে সমস্যা হচ্ছে। কড়া হাতে এর মোকাবিলা প্রয়োজন।'