
শেষ আপডেট: 2 September 2022 08:05
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ব্রিটেনের (Britain) প্রধানমন্ত্রীর (Prime Minister) কুরশি দখলের লড়াইতে ভারতীয় বংশোদ্ভূত প্রার্থী ঋষি শুনকের (Rishi Sunak) থেকে এগিয়ে গেলেন তাঁর প্রতিপক্ষ লিজ ট্রুস (Liz Truss)। শুক্রবার কনজারভেটিভ পার্টির সদস্যদের ভোটেই পরিষ্কার হয়ে গেছে সেই চিত্র।
আগামী সোমবার প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনের চূড়ান্ত ফল ঘোষণা হতে চলেছে। তার পরের দিনই রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের কাছে নিজের পদত্যাগপত্র জমা দেবেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। পোস্টাল ব্যালট এবং অনলাইন ভোটিংয়ের মাধ্যমে ২ লক্ষ টরি সদস্য ভোটদানে অংশ নিয়েছিলেন। সেই প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল গত অগস্ট মাসে। তা শেষ হচ্ছে শুক্রবার।
এতদিন ব্রিটিশ মন্ত্রীসভার চ্যান্সেলরের দায়িত্ব সামলেছেন ঋষি। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন ও তাঁর দলের কার্যকলাপে দলের অভ্যন্তরেই কনজারভেটিভ পার্টির কিছু সদস্যের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হচ্ছিল। তারপরেই বরিসের দিকে আঙুল তুলে একে একে গদি ছাড়তে শুরু করেন মন্ত্রীরা। পদত্যাগ করেন ঋষি শুনকও।
ভোটাভুটির প্রথম রাউন্ড থেকেই এগিয়ে ছিলেন ব্রিটেনের প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী এবং অক্সফোর্ড প্রাক্তনী ঋষি শুনক। বস্তুত, তিনি যে চূড়ান্ত পর্বেও পৌঁছে যাবেন, তা যেন একপ্রকার নিশ্চিতই ছিল। প্রধানমন্ত্রী পদে চূড়ান্ত প্রার্থী হতে গেলে শুনকের (Rishi Sunak) দরকার ছিল নিজের দলের ১২০ জন আইনসভা সদস্যের সমর্থন। অর্থাৎ পার্লামেন্টে কনজারভেটিভ পার্টির যত জন সাংসদ রয়েছেন, তাঁদের এক তৃতীয়াংশের সমর্থন। ইতিমধ্যেই ১১৮ আইনসভার সদস্যের সমর্থন পেয়ে গিয়েছিলেন তিনি।
কিন্তু ফাইনাল অবধি সব রাউন্ডে এগিয়ে গিয়েও শেষ পর্যন্ত পিছিয়ে পড়লেন নারায়ণমূর্তির জামাই ঋষি। শেষ রাউন্ডে ঋষিকে টপকে অনেকটাই এগিয়ে গিয়েছিলেন লিজ।
জিতে গেলে ঋষিই হতেন ব্রিটেনের প্রথম অশ্বেতাঙ্গ প্রধানমন্ত্রী। কিন্তু তারপরেও জেতা হল না বললেই চলে। এখন সোমবার সেই ঘটনারই আনুষ্ঠানিক ঘোষণার মুখাপেক্ষী হয়ে রয়েছে ওয়াকিবহাল মহল।
ফের তিন বছরের জেল, মায়ানমারে সু চি’র কারাবাসের মেয়াদ বেড়ে হল ২৩ বছর