দ্য ওয়াল ব্যুরো : গত ৭ মে দেরাদুন শহরে খুন হয়েছিলেন এক তরুণী। তিনদিনের মাথায় তার কিনারা করে ফেলল পুলিশ। ধরা পড়েছে ভাড়াটে খুনিও। যে খুনিকে নিয়োগ করেছিল, তরুণীর সেই লিভ ইন পার্টনারও ধরা পড়েছে।
নিহত তরুণীর নাম সমরজাহান। বয়স ছিল ২৩। তাকে গুলি করে মারা হয়। শুক্রবার উত্তরপ্রদেশের মুজফফরনগর থেকে ভাড়াটে খুনি গ্রেফতার হয়। পুলিশ জানিয়েছে, সমরজাহান রাকেশ গুপ্ত নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে থাকত। সে বিয়ে করার জন্য রাকেশের ওপরে চাপ সৃষ্টি করতে থাকে। এদিকে রাকেশের পরিবারেও সমরজাহানকে কেন্দ্র করে অশান্তি দেখা যায়। তার সঙ্গে স্ত্রী সীমার নিয়মিত ঝগড়া হত।
একসময় রাকেশ তার স্ত্রীকে জানায়, সে সমরজাহানের আচরণে তিতিবিরক্ত হয়ে উঠেছে। তার ছেলে কার্তিক ওই তরুণীকে খুনের ছক কষে। বাবা-মায়ের অনুমতি নিয়ে সে মুজফফরনগরে গিয়ে এক সুপারি কিলারের সঙ্গে যোগাযোগ করে। তার নাম মোমিন। সে জানায়, খুনের জন্য চার লক্ষ টাকা দিতে হবে। ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে তাকে ২ লক্ষ টাকা অগ্রিম দিতে হয়।
তরুণী খুনের পরে পুলিশ রাকেশ ও তার পরিবারের লোকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। তারা বলে, আমরা কিছু জানি না। তখন পুলিশ ইনফর্মারদের সাহায্যে মোমিনের সিন্ধান পায়। তাকে জেরা করলে সে কার্তিকের নাম বলে। কার্তিককে জেরা করে পুলিশ সব জানতে পারে। পরে রাকেশ ও সীমা গ্রেফতার হয়।