সূত্রের খবর, এই অযোগ্য শিক্ষাকর্মীদের সংখ্যা ৩৫০০-এরও বেশি। প্রকাশ করা হবে তাঁদের নাম এবং রোল নম্বর।

শেষ আপডেট: 3 November 2025 00:19
দ্য় ওয়াল ব্যুরো: কাল থেকে আবেদন শুরু আর তার আগেই অযোগ্যদের তালিকা প্রকাশের সিদ্ধান্ত নিল স্কুল সার্ভিস কমিশন। ২০১৬-এর যে প্যানেল আদালতে নির্দেশে বাতিল হয়েছিল এবং তাতে যে গ্রুপ সি, ডি শিক্ষাকর্মীরা ছিলেন, তাঁদের নাম এবার প্রকাশ্যে আসতে চলেছে।
সূত্রের খবর, এই অযোগ্য শিক্ষাকর্মীদের সংখ্যা ৩৫০০-এরও বেশি। প্রকাশ করা হবে তাঁদের নাম এবং রোল নম্বর।
নতুন করে অনলাইনে আবেদন করে পরীক্ষায় বসতে হত বাতিল হওয়া প্যানেলের শিক্ষাকর্মীদের। কিন্তু তার আগেই এই সিদ্ধান্ত।
আদালতের নির্দেশে সরকারের ভাতাতেও স্থগিতাদেশ এসেছে। কেউ যেন নতুন করে বসতে না পারে, তাতেও কড়া নজর সুপ্রিম কোর্টের।
যোগ্য শিক্ষাকর্মীদের (SSC Group C and D) একাংশ আবেদন করেছিলেন যাতে শিক্ষক নিয়োগের মতো গ্রুপ সি ও ডি পদগুলির ক্ষেত্রেও নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়, যাতে দ্রুত নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। তাঁদের দাবি ছিল, ঢিলেমির কারণে তাঁরা অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছেন।
তবে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি সঞ্জয় কুমার ও বিচারপতি অলোক আরাধের ডিভিশন বেঞ্চ সোমবার স্পষ্ট জানায়, “মূল মামলায় রায় ইতিমধ্যেই ঘোষণা হয়ে গিয়েছে। সেই পরিস্থিতিতে এই বিষয়ে নতুন করে কোনও আবেদন গ্রহণযোগ্য নয়।”
আদালত আরও বলে, “আমরা ইতিমধ্যে এসএসসির পুরো প্যানেল বাতিল করেছি। এখন আবার কেন একই বিষয় নিয়ে নতুন করে মামলা করা হচ্ছে?” মামলাকারী পক্ষের আইনজীবী জানান, শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হলেও শিক্ষাকর্মীদের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে বিলম্ব হচ্ছে। তাই আবেদনকারীরা আদালতের নির্দেশ চেয়েছিলেন। কিন্তু শীর্ষ আদালত তাঁদের আর্জি খারিজ করে দেয়।
আদালত বলেন, “নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি জারি হলে, যদি নতুন কোনও বিষয় উঠে আসে, তা নিয়ে মামলা করা যেতে পারে। তবে এই আদালত সেই শুনানি করবে না। আগে হাইকোর্টে যান।”
উল্লেখ্য, সুপ্রিম কোর্টের আগের নির্দেশে ২০১৬ সালের এসএসসি-র সম্পূর্ণ প্যানেল বাতিল করা হয়েছে। গত এপ্রিল মাসে শিক্ষক নিয়োগ মামলায় শীর্ষ আদালত নবম-দশম এবং একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগের জন্য সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিল।
আদালত জানিয়েছিল, যাঁরা ‘দাগি’ নন, তাঁরা আপাতত স্কুলে যোগ দিতে পারবেন, তবে ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে রাজ্য সরকারকে নতুন করে পরীক্ষা নিয়ে নিয়োগ সম্পন্ন করতে হবে।