দ্য ওয়াল ব্যুরো : ডিসেম্বরের ৩০ ও ৩১ তারিখে গান বাজালেই লাইসেন্স ফি দিতে হবে ফনোগ্রাফিক পারফরম্যান্স লিমিটেডকে। বম্বে হাইকোর্ট এই মর্মে নির্দেশ দিয়েছে শহরের ৯৮ টি হোটেল, পানশালা, কাফে ও রিসর্টকে।
ফনোগ্রাফিক পারফরম্যান্স লিমিটেড অন্তত ২০ লক্ষ হিন্দি, ইংরেজি, স্প্যানিশ, তেলুগু, বাংলা, পাঞ্জাবী, মারাঠি, মালয়ালাম, ভোজপুরী ও অন্যান্য ভাষার গানের পারফরম্যান্স রেকর্ডের অধিকারী। ওই গানগুলি প্রকাশ্যে বাজালে অথবা রেডিওতে সম্প্রচার করলে পিপিএলকে লাইসেন্স ফি দিতে হয়।
বম্বে হাইকোর্টের বেঞ্চ নির্দেশ দিয়েছে, যারা বছর শেষে গান বাজাতে চায়, তাদের আগেই পিপিএলের কাছে কিছু পরিমাণে টাকা জমা দিতে হবে। নিউ ইয়ার্স ইভের অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার পরে লাইসেন্সের প্রকৃত পরিমাণ স্থির হবে।
পিপিএল কিছুদিন আগে বম্বে হাইকোর্টে অভিযোগ করে, বছর শেষের অনুষ্ঠানে বহু জায়গাতেই লাইসেন্স ফি না দিয়ে গান বাজানো হয়। তাদের আর্জি ছিল, গান বাজানোর আগেই কিছু অর্থ দিতে বলা হোক।
শুনানির সময় বিচারপতি ভারতী ডাঙ্গরের অবকাশকালীন বেঞ্চকে পিপিএল থেকে জানানো হয়, তারা মিউজিক কোম্পানির থেকে সাউন্ড রেকর্ডিং-এর সত্ত্ব কিনেছে। সুতরাং ওই গান বাজাতে হলে তাদের লাইসেন্স ফি দেওয়া উচিত।
পিপিএলের কৌঁসুলি কেভিক সেতালয়াদ বলেন, যদি কেউ লাইসেন্স ফি না দিয়ে গান বাজায়, তাহলে ধরে নিতে হবে সে কপিরাইট আইন ভঙ্গ করছে।
অপর পক্ষের কৌঁসুলি বলেন, পিপিএল সাউন্ড রেকর্ডিং-এর মালিক নয়। তার মালিক মিউজিক কোম্পানিগুলি। তারা যদি লাইসেন্স ফি না চায়, তাহলে পিপিএল চাইতে পারে না। তখন পিপিএল থেকে হাইকোর্টে একটি চুক্তিপত্র পেশ করে বলা হয়, মিউজিকের মালিকরা তাদের লাইসেন্স ফি নেওয়ার অনুমতি দিয়েছে।
দু’পক্ষের বক্তব্য শুনে বেঞ্চ বলে, আমার মনে হয়, বাদীপক্ষই ঠিক বলেছে। তাদের লাইসেন্স ফি না দিয়ে গান বাজানো ঠিক নয়।
শিবসেনার যুব শাখার প্রধান আদিত্য ঠাকরে এবার মুম্বই, পুনে ও মহারাষ্ট্রের অন্যান্য শহরের বাসিন্দাদের উদ্দেশে আহ্বান জানিয়েছেন, সারা রাত পার্টি করুন। তিনি মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিশকে চিঠি লিখে অনুরোধ করেছেন, নববর্ষের উৎসব উদযাপনের জন্য বিনোদন কেন্দ্রগুলি রাতভর খোলা রাখা হোক।
তিনি চিঠিতে উল্লেখ করেছেন, মানুষ যদি রাতভর পার্টি করতে পারে তাহলে কর্মসংস্থান বাড়বে। রাজ্য সরকারেরও আয় হবে বেশি।