অযোধ্যা মিটতেই কাশী-মথুরার দাবিতে সরব আখড়া পরিষদের সঙ্গে বিজেপি নেতাও
দ্য ওয়াল ব্যুরো: 'অযোধ্যা তো ঝাঁকি হ্যায়, কাশী মথুরা বাকি হ্যায়।' রামজন্মভূমি আন্দোলন শুরুর সময় থেকেই এটা স্লোগান ছিল বিভিন্ন হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের। এবার অযোধ্যায় রাম মন্দিরের ভূমি পুজো মিটে যেতেই সেই দাবি নতুন করে উঠল। এই দাবিতে সরব হয়েছে
শেষ আপডেট: 6 August 2020 18:30
দ্য ওয়াল ব্যুরো: 'অযোধ্যা তো ঝাঁকি হ্যায়, কাশী মথুরা বাকি হ্যায়।' রামজন্মভূমি আন্দোলন শুরুর সময় থেকেই এটা স্লোগান ছিল বিভিন্ন হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের। এবার অযোধ্যায় রাম মন্দিরের ভূমি পুজো মিটে যেতেই সেই দাবি নতুন করে উঠল। এই দাবিতে সরব হয়েছে ভারতের সাধু-সন্তদের সর্বোচ্চ সংগঠন অখিল ভারতীয় আখাড়া পরিষদ। অন্য দিকে, রাম মন্দির নির্মাণ হয়ে গেলেই কাশী ও মথুরায় মসজিদের জায়গায় মন্দির বানানোর দাবিতে আন্দোলন শুরু হয়ে যাবে বলে জানিয়েছেন বিজেপি নেতা তথা বজরঙ্গ দলের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বিনয় কাটিয়ার।
আরও পড়ুন
দীর্ঘ আইনি জটিলতার শেষে গত বছরের নভেম্বরে সুপ্রিম কোর্টের রায়ে অযোধ্যা বিতর্কের অবসান হয়েছে। এবার আরও দুই মন্দির-মসজিদ মামলার মীমাংসা চাইছেন বিনয় কাটিয়ার। বিজেপি নেতা কাটিয়ারের বক্তব্য, "রামের জন্মস্থান মুক্ত হয়েছে। এবার মথুরায় শ্রীকৃষ্ণ জন্মভূমি মন্দির থেকে শাহি ইদগা মসজিদ এবং কাশীর বিশ্বনাথ মন্দির এলাকা থেকে জ্ঞানবাপী মসজিদ হটানোর আন্দোলন শুরু হবে।"
একই সুরে কাশী-মথুরাকে ‘মুক্ত’ করার দাবি তুলেছে অখিল ভারতীয় আখাড়া পরিষদও। জানানো হয়েছে, কী ভাবে এই আন্দোলন হবে তা ঠিক করতে খুব শীঘ্রই সাধু-সন্তরা বৈঠকে বসবেন। আখড়ার সভাপতি মহন্ত নরেন্দ্র গিরি জানিয়েছেন, "এটা অত্যন্ত আনন্দ ও গর্বের যে দীর্ঘ লড়াইয়ের শেষে অযোধ্যায় ভব্য রাম মন্দির নির্মাণের জন্য ভূমি পুজো হয়ে গিয়েছে।" সেই সঙ্গেই তিনি বলেন, "এখন আমরা চাই সনাতন ধর্মের ধ্বজা উড়ুক কাশী এবং মথুরাতেও। আর তার জন্য সংবিধানের মধ্যে থেকে যা যা করা যায় তার সবই করবে আখড়া পরিষদ।" একই রকম কথা বলেছেন অখিল ভারতীয় সন্ত সমিতির সাধারণ সম্পাদক জিতেন্দ্রানন্দ সরস্বতী। তিনি বলেন, রাম জন্মভূমির পরে সবাই কৃষ্ণ জন্মভূমির 'মুক্তি' দেখতে পাবে।
বিশ্ব হিন্দু পরিষদ-সহ বিভিন্ন হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের এটা পুরনো দাবি যে, বারাণসীতে ১৬৬৯ সালে বিশ্বনাথ মন্দিরের উপরে জ্ঞানবাপী মসজিদ তৈরি করা হয় মুঘল সম্রাট ঔরঙ্গাজেবের আমলে। একই ভাবে দাবি, মথুরায় কৃষ্ণ জন্মভূমিতে মন্দির ভেঙে তৈরি করা হয় শাহি ইদগা মসজিদ।