
শেষ আপডেট: 15 September 2020 18:30
তাজ হোটেলও তার ব্যতিক্রম নয়। এই ভিডিও এখন টুইটারে ভাইরাল। অনেক টুইটারাইটই বলেছেন, তাজে এমন কয়েকটি পুল রয়েছে যেগুলি একদম জঙ্গলের ধার ঘেঁষা। যদিও পুলগুলির আশপাশে কোনও ঘর নেই। খোলামেলা পুলে লেপার্ড চলে আসার ঘটনা নতুন কিছু নয়।
সাওয়াই মাধোপুর থেকে ঢিল ছোড়া দূরত্বে রণথম্বোর এক সময় ছিল জয়পুরের মহারাজার ব্যক্তিগত হান্টিং রিজার্ভ। বর্তমানে এই জাতীয় উদ্যানের হোটেলগুলির কাঠামোয় আধুনিকতার ছাপ লাগলেও, জঙ্গলের সঙ্গে এর সরাসরি যোগাযোগে কোনও পাঁচিল তুলে দেননি হোটেল কর্তৃপক্ষ। পর্যটকরা একই সঙ্গে বুনো প্রকৃতি আর বন্যপ্রাণের কাছাকাছি থাকতে পারেন। তাজ হোটেলেরও এটাই অন্যতম আকর্ষণের জায়গা।
[caption id="attachment_260068" align="aligncenter" width="661"]
রণথম্বোর টাইগার রিজার্ভ[/caption]
উত্তর ভারতের অন্যতম বড় ব্যাঘ্র সংরক্ষণ কেন্দ্রই হল রণথম্বোর ন্যাশনাল পার্ক। ১৯৭৩ সাল থেকে এই জাতীয় উদ্যানকে প্রজোক্ট টাইগার রিজার্ভ হিসেবে ঘোষণা করা হয়। রণথম্বোর মূলত রয়্যাল টাইগার বেঙ্গল টাইগারের জন্যই জনপ্রিয়। তবে ইন্ডিয়ান লেপার্ড, সম্বর, চিতল হরিণ, নীলগাইও এই জাতীয় উদ্যানের আকর্ষণ। ২০০৫ সালের বাঘ সুমারিতে দেখা গিয়েছিল এই জাতীয় উদ্যানে মোট ২৫টি রয়্যাল বেঙ্গল আছে, ২০১৪ সালে সেই সংখ্যাই বেড়ে ৬২ তে পৌঁছয়। ভারতে বাঘের সংখ্যা বাড়ায় এখন রণথম্বোরে ৭০ এর বেশি রয়্যাল বেঙ্গল আছে বলেই সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছিল।