
শেষ আপডেট: 12 January 2024 08:42
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সাত দিনের ব্যবধানে ফের অভিযানে কেন্দ্রীয় এজেন্সি। এবারও সেই শুক্রবার! তবে এবারের অভিযানে জওয়ানদের সুরক্ষা বলয়ে বিস্তর ফারাক লক্ষ্য করা গেল। সন্দেশখালির ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়েই এই বদল বলে মনে করা হচ্ছে।
গত শুক্রবার সন্দেশখালির সরবেড়িয়ায় তৃণমূল নেতা শাহজাহান শেখের খোঁজে তল্লাশিতে গিয়ে নজিরবিহীন আক্রমণের মুখে পড়তে হয়েছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিক এবং জওয়ানদের। মাথা ফেটেছিল ইডি অফিসারদের। রীতিমতো প্রাণ হাতে দৌড়ে পালিয়ে আসতে দেখা গিয়েছিল তাঁদের।
সাত দিনের ব্যবধানে এদিন সকাল থেকে শ্রীভূমিতে দমকলমন্ত্রী সুজিত বসুর বাড়ি, বরানগরের বিধায়ক তাপস রায়ের ফ্ল্যাট এবং উত্তর দমদম পুরসভার প্রাক্তন পুরপ্রধান সুবোধ চক্রবর্তীর বিরাটির বাড়িতে অভিযানে নেমেছেন তদন্তকারীরা।
তবে গত সপ্তাহের চেয়ে এবারে নিরাপত্তায় বিস্তর বদল। তল্লাশি অভিয়ানের চারিদিক শুধু কেন্দ্রীয় জওয়ান দিয়ে ঘিরে রাখা হয়েছে তাই নয়, জওয়ানদের মাথায় রয়েছে বিশেষ ধরনের হেলমেট, হাতে রয়েছে বডি প্রোটেক্টর। অন্য অভিযানের তুলনায় এবারে ফোর্সের সংখ্যাও বেশি।
সন্দেশখালিতে শাহজাহান শেখের ডেরায় গিয়ে যে নজিরবিহীন অবস্থার মুখোমুখি হতে হয়েছিল, তাতে শুধুমাত্র হাতে অস্ত্র থাকলেই যে আর নিরাপদ নয়, সেটা স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল জওয়ানদের কাছে। সূত্রের খবর, এরপরই অভিযানে বাধ্যতামূলকভাবে জওয়ানদের সুরক্ষা বাড়ানোর ওপরে জোর দেওয়া হয়। সেই মতোই এদিন রীতিমতো আধুনিক সুরক্ষায় সজ্জিত হয়েই তল্লাশি অভিয়ানে নেমেছেন জওয়ানরা।
শুধু সন্দেশখালিতে নয়, গত শুক্রবার রাতে বনগাঁর প্রাক্তন পুর চেয়ারম্যানকে গ্রেফতার করে গাড়িতে তোলার সময়ও বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয়েছিল জওয়ানদের। দুটি ক্ষেত্রেই পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল ইডি। তবে এদিন তিনটি অভিযানের ক্ষেত্রেই স্থানীয় পুলিশের সহযোগিতা এখনও পর্যন্ত লক্ষ্য করা যাচ্ছে বলে ইডি সূত্রের দাবি।