
শেষ আপডেট: 17 January 2024 15:36
দ্য ওয়াল ব্যুরো: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় আদালতে জমা দেওয়া কেন্দ্রীয় এজেন্সির নথি নিয়েই এবার আদালতে সংশয় প্রকাশ করলেন মামলাকারীদের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।
এদিন মামলার শুরুতেই আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, "গাজিয়াবাদ থেকে যে হার্ড ডিস্ক উদ্ধার হয়েছে তার কম্পিউটার যদি উদ্ধার না হয় তাহলে তা প্রামাণ্য তথ্য হতে পারে না। তাও আবার উদ্ধার করা হয়েছে এনওয়াইএসএ-র প্রাক্তন কর্মী পঙ্কজ বনশালের গাজিয়াবদের বাড়ি থেকে। হাত পা পাওয়া গেল, কিন্তু দেহ পাওয়া গেল না? এটা সম্ভব? এই তদন্তের মনে কী?"
বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশে রাজ্যের নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্ত শুরু হয়েছিল। নাম না করে এদিন আদালতে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়েরও সমালোচনা করেছেন কল্যাণ। তিনি বলেন, "কোনও একজন ব্যাক্তির সন্দেহ হল আর তিন বছর পরে প্যানেল কোথায় জানতে চাইল সিঙ্গল বেঞ্চ? যে প্যানেলের মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে তাকে বাতিল করা যায় কীভাবে?"
আদালতের নির্দেশে তদন্তে নেমে গাজিয়াবাদ থেকে সিবিআই প্রাথমিকের যে ওএমআর শিটের হার্ড ডিস্ক বাজেয়াপ্ত করেছে তা ডিভিশন বেঞ্চের পরীক্ষা করে দেখা উচিত বলেও এদিন এজলাসে আবেদন জানান কল্যাণ।
পাল্টা হিসেবে চাকরিপ্রার্থীদের আইনজীবী আশিস কুমার চৌধুরী ওএমআর শিট কেলেঙ্কারি নিয়ে সরব হন। তিনি বলেন, "র্যাঙ্ক জাম্প করে কম নম্বর পাওয়া প্রার্থীদের চাকরি দেওয়া হয়েছে।"
শীর্ষ আদালতের নির্দেশে নিয়োগ দুর্নীতি মামলার শুনানি চলছে কলকাতা হাইকোর্টের বিশেষ ডিভিশন বেঞ্চে। সোমবার সেখানেই নিয়োগ সংক্রান্ত মামলার শুনানিতে দু'পক্ষের সওয়াল জবাবের পর বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ, "প্যানেলের মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার পরেও যাঁরা চাকরি পেয়েছেন তাঁদের চাকরি থাকার কোন প্রশ্নই ওঠে না।"
আগামীকাল বুধবার ফের মামলার পরবর্তী শুনানি হবে।