
শেষ আপডেট: 19 February 2020 18:30
স্ট্যানফোর্ড আর্টিফিসিয়াল ইনটেলিজেন্স ল্যাবোরেটরিতে গবেষণার সময়েই কমপেল নামে সিঙ্গল অ্যাসাইনমেন্ট ল্যাঙ্গুয়েজ আবিষ্কার করেন। পরে জেরক্স পালো অল্টো রিসার্চ সেন্টারের সদস্য হয়েছিলেন ল্যারি। সেখানে কাজ করার সময়েই ১৯৭০ সালে তিনি আবিষ্কার করেন কম্পিউটারের কাট-কপি-পেস্ট কম্যান্ড। তাঁর হাত ধরে নতুন দিশা পায় কম্পিউটার বিজ্ঞান। ‘ব্রাউজার’ কথার জনকও তিনি। ১৯৭৬ সালে ওয়েব ব্রাউজারের শব্দটির প্রচলন করেন তিনি।
লিজা, ম্যাসিনতোশ ও নিউটাউন, এই তিনটি ইউজার ইন্টারফেজ ডিজাইন ল্যারি টেসলারের হাত ধরেই হয়েছিল। ১৯৮০ সালে জেরক্স পার্ক ছেড়ে অ্যাপলে যোগ দেন ল্যারি টেসলার। অ্যাপলনেটের ভাইস প্রেসিডেন্ট ছিলেন একসময়। পরে অ্যাডভান্সড টেকনোলজি গ্রুপের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও চিফ সায়েন্টিস্ট হন। ২০০৫ সালে অ্যাপল ছেড়ে ইয়াহুতে যোগ দেন। ২০০৮-এ ২৩অ্যান্ডমি-র সদস্য হন। ২০১১ সালে যোগ দেন আমাজনে।
https://twitter.com/Xerox/status/1230228728992714752?ref_src=twsrc%5Etfw%7Ctwcamp%5Etweetembed%7Ctwterm%5E1230228728992714752&ref_url=https%3A%2F%2Fwww.news18.com%2Fnews%2Fbuzz%2Flarry-tesler-the-apple-computer-scientist-behind-cut-copy-paste-passes-away-2508005.html
কম্পিউটার বিজ্ঞানে নতুন পথের দিশা দেখিয়েছিলেন ল্যারি টেসলার। তাঁর গবেষণা আধুনিক প্রযুক্তির অন্যতম মূল স্তম্ভ। ল্যারির মৃত্যুতে সোশ্যাল মিডিয়া ভরে উঠেছে শোকবার্তায়।