অলক্ষ্মী বৃষ্টি! প্রতিমা বিক্রি নেই, মাথায় হাত কুমোরটুলির
দ্য ওয়াল ব্যুরো: রাত পোহালেই লক্ষ্মীপুজো (lakshmi puja)। কিন্তু বৃষ্টির বিরাম নেই, তাই বহু মানুষ প্রতিমা কিনতে আসতে পারেননি। কম দাম দিয়েও বিক্রি নেই। তাই আগেভাগে প্রতিমা তৈরি করে মাথায় হাত কুমোরটুলির মৃৎশিল্পীদের।
মঙ্গলবার বৃষ্টি মাথায় ন
শেষ আপডেট: 19 October 2021 11:31
দ্য ওয়াল ব্যুরো: রাত পোহালেই লক্ষ্মীপুজো (lakshmi puja)। কিন্তু বৃষ্টির বিরাম নেই, তাই বহু মানুষ প্রতিমা কিনতে আসতে পারেননি। কম দাম দিয়েও বিক্রি নেই। তাই আগেভাগে প্রতিমা তৈরি করে মাথায় হাত কুমোরটুলির মৃৎশিল্পীদের।
মঙ্গলবার বৃষ্টি মাথায় নিয়েই কয়েকজন ক্রেতাকে দেখা গিয়েছে। তবে অন্যান্যবার পুজোর আগের দিন যেমন হয়, সেই তুলনায় তা সামান্যই, জানালেন শিল্পীরা। বাবু পালের গোলায় গিয়ে দেখা গেল চারিদিকে সাজানো লক্ষ্মী। তিনি বললেন, "বৃষ্টি থামলে প্রতিমা পড়ে থাকবে বলে মনে হয় না। তবে বৃষ্টির জন্য দূরের ক্রেতারা আসতে পারছেন না।" অসিত মান্না আবার বললেন, "ঠাকুর বিক্রিই হচ্ছে না। মানুষ বেরোতেই পারছেন না।"
উত্তরাখণ্ডে দুর্যোগে আটকে বাঙালি পরিবার, জল নেই, খাবার নেই, ঘরবন্দি পর্যটকেরা
কুমোরটুলিতে প্রতিমা তৈরি হয় মূলত দুরকমের, ছাঁচ আর কাঠামোর ঠাকুর। ছাঁচের ঠাকুরের দাম ৩০০ টাকা থেকে ৭০০ টাকার মধ্যে। সেই প্রতিমা তৈরির খরচ এবছর অনেকটা বেড়েছে। তা সত্ত্বেও বেশি দাম নিচ্ছেন না বলে জানালেন সুপ্রিয় বসাক। তাঁর বক্তব্য, "এ বছর ঠাকুর পড়েই থাকবে। মাত্র দশটা বিক্রি হয়েছে। মানুষ বাড়ির ধাতুর মূর্তি বা ছবিতেই নমো-নমো করে পুজো সারবেন।"

তবে বৃষ্টিতে চাহিদা বেড়েছে ঠাকুর মুড়ে নিয়ে যাওয়ার পলিথিনের। এক মিটার পলিথিন শিটের দাম কুড়ি টাকা থেকে বাড়িয়ে পঁচিশ টাকা নিচ্ছেন রাজু, রতন মণ্ডলরা। তাঁরা বলছেন, "বৃষ্টিতে আমাদের বিক্রি বেড়েছে ঠিকই। তবে আমরা চাই বৃষ্টি থেমে যাক। কারণ প্রতিমা নিতে লোকজন না এলে আমাদেরও বিক্রি বন্ধ হবে।"
পড়ুন দ্য ওয়ালের সাহিত্য পত্রিকা 'সুখপাঠ'