জানা গেছে, কম দামে সোনা বিক্রির টোপ দিয়ে চক্রের লোকজন এই পয়তারহাটে সাদ্দামের গ্রামে ডেকে নিয়ে আসত ক্রেতাদের। তারপর চলত দরদস্তুর। লাখ লাখ টাকার বিনিময়ে নকল সোনা গছিয়ে দেওয়া হত ক্রেতাদের। নকল সোনা দিয়ে ১২ লক্ষ টাকা প্রতারণার অভিযোগে সোমবার সকালে কুলতলির দুই নম্বর জ্বালাবেড়িয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের পয়তারহাট গ্রামে অভিযান চালায় কুলতলি থানার পুলিশ। তখনই পুলিশকে ঘিরে ফেলে তার পরিবারের লোকজন। অভিযোগ, পুলিশকে মারধর করা হয়। এমনকী পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলিও চালানোর অভিযোগ ওঠে সাদ্দামের ভাই সইরুলের বিরুদ্ধে। এই ডামাডোলের সময় গা ঢাকা দেয় সাদ্দাম ও তার ভাই সইরুল।
অবশেষে মোবাইল ফোনের লোকেশন ট্র্যাক করে বুধবার রাতে সাদ্দামকে পাকড়াও করে পুলিশ। তবে তার ভাই সইরুল এখনও পলাতক। তার খোঁজ চলছে। সোমবার সাদ্দামের বাড়িতে অভিযানের সূত্রেই পুলিশ খাটের নীচে সুড়ঙ্গের খোঁজ পেয়েছিল। যে সুড়ঙ্গ খাল হয়ে মিশেছে মাতলানদীতে।
পুলিশের হাত থেকে রেহাই পাওয়ার জন্যই কংক্রিটের এই সুড়ঙ্গ বানানো হয়েছিল নাকি সুড়ঙ্গ দিয়ে অন্য কোনও কারবার চলত, তা এখনও স্পষ্ট নয়। আদালতের নির্দেশে আপাতত ১২ দিন পুলিশ হেফাজতে থাকবে সাদ্দাম। তাকে জেরা করে সুড়ঙ্গ রহস্যের সমাধান করতে চাইবেন তদন্তকারীরা।


.webp)