Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনেরভাঁড়ে মা ভবানী! ঘটা করে বৈঠক ডেকে সেরেনা হোটেলের বিলই মেটাতে পারল না 'শান্তি দূত' পাকিস্তান

কৃষ্ণগঞ্জের তৃণমূল বিধায়ক খুনে 'বেকসুর' মুকুল-জগন্নাথ, রায় বিশেষ আদালতের

২০১৯ সালে ফেব্রুয়ারি মাসে নদিয়ার হাঁসখালিতে বাড়িতে কাছেই সত্যজিৎ বিশ্বাসকে গুলি করে খুন করা হয়। মাথায় গুলি লাগায় ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়।

কৃষ্ণগঞ্জের তৃণমূল বিধায়ক খুনে 'বেকসুর' মুকুল-জগন্নাথ, রায় বিশেষ আদালতের

জগন্নাথ সরকার-সত্যজিৎ বিশ্বাস-মুকুল রায়

শেষ আপডেট: 18 September 2024 14:26

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ছয় বছর হয়ে পরে কৃষ্ণগঞ্জের তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক সত্যজিৎ বিশ্বাস খুনের মামলা থেকে অব্যাহতি পেলেন মুকুল রায় ও জগন্নাথ সরকার। বিধানগরের ময়ূখভবনের বিশেষ আদালতের বিচারক তাঁকে বেকসুর খালাস করেছে।  

২০১৯ সালে ফেব্রুয়ারি মাসে নদিয়ার হাঁসখালিতে বাড়িতে কাছেই সত্যজিৎ বিশ্বাসকে গুলি করে খুন করা হয়। মাথায় গুলি লাগায় ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়। এই ঘটনাকে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জের বলে দাবি করেছিল বিজেপি। ঘটনার দশদিন বাদে মূল অভিযুক্ত অভিজিৎ পুণ্ডারীকে গ্রেফতার করে পুলিশ। মোট পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। তদন্ত যায় সিআইডির হাতে। প্রথমে তিনজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দেয় সিআডি। 

তারপরেই ঘটনার সঙ্গে নাম জড়ায় তৎকালীন বিজেপি নেতা মুকুল রায় ও রানাঘাটের বিজেপি সংসদ জগন্নাথ সরকারের। এফআইআরে ঘটনায় জড়িত "সন্দেহভাজন" হিসাবে দাপুটে এই দুই নেতার নাম রাখা হয়েছিল। পরে ওই বছরের সেপ্টেম্বরে জগন্নাথের সরকারের বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দেয় সিআইডি। রানাঘাট অতিরিক্ত দায়রা আদালতে দ্বিতীয় সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিট পেশ করে সিআইডি। সূত্রের খবর, তাতে ‘মূল ষড়যন্ত্রকারী’ হিসেবে মুকুলের নাম রাখা হয়।

সেখানে তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, ঘটনার আগে ও পরে দুষ্কৃতীদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছিলেন  মুকুল রায়। অভিযুক্তদের আশ্রয় দেওয়া ও পালানোর ক্ষেত্রে মুকুল মদত দিয়েছিলেন। তাঁর বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩০২ ধারা (খুন) এবং ১২০ ধারা (ষড়যন্ত্র) ধারায় মামলা রুজু হয়েছিল।


```