
শেষ আপডেট: 3 June 2019 18:30
শুরুটা হোক রোল দিয়েই। এগ, মাটন, চিকেনের পাশাপাশি কাঠি-কিমা রোলের চাহিদা শহরের বুকে সবচেয়ে বেশি। এমনিতেই স্ট্রিট-ফুডের মধ্য়ে রোলের স্থান উপরেই রয়েছে। রমজানি কলকাতায় এর চাহিদা আবার গত কয়েক বছরে বেশ লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়েছে। সুইগি জানিয়েছে, কোলেস্টেরলে ভোগা শহরবাসীদের কাছে চিকেন রোলের চাহিদাই বেশি। এগ-চিকেন রোলও বিকোচ্ছে দেদার। এমনকি হালিম-রোল-ফিরনি সমেত ইফতার বক্সও নাকি ডেলিভারি হচ্ছে শহরের উত্তর থেকে দক্ষিণে, পূর্ব থেকে পশ্চিমে।

ইফতার মানেই থকথকে ডালের ভিতর মাংস ভাসিয়ে হালিম-প্রীতিতে মজে শহরবাসী। হায়দরাবাদ, লখনৌয়ের পরেই হালিম-প্রেমে নাম উঠেছে কলকাতার। শহরের হালিম-মানচিত্র এখন বিস্তৃত মধ্য় কলকাতা, বড় বাজার, এসপ্ল্য়ানেড, রুবি, যাদবপুর এবং বালিগঞ্জে। চিকেন, মাটন আর বিফ হালিমের সবচেয়ে বেশি বিকিকিনি এবং অর্ডার যায় মূল এই এলাকাগুলি থেকেই। সুইগির ভাষায় কলকাতার এই সমস্ত এলাকা মূলত হালিম-জোন। ইফতারের মরসুমে ৫৪ শতাংশ অর্ডার আসে হালিমেরই।
কলকাত্তাইয়া বিরিয়ানির চাহিদা তো আলাদা করে বলার কিছু নেই। চিকেন বিরিয়ানি-মাটন বিরিয়ানির আর্জি আসে বিস্তর। উত্তর ও দক্ষিণ কলকাতার মানুষজন ইফতারের সন্ধ্য়ায়, এমনকি মধ্য়াহ্ন ভোজেও বিরিয়ানি খেতে পছন্দ করে। সিরাজ গোল্ডেন রেস্তোরাঁ, আমিনিয়া, নিজাম, হাজি সাহেব এই রেস্তোরাঁগুলি ফুলেফেঁপে ওঠে রমজান মাসে।
মেন কোর্স ছাড়া ইফতারের খুচরো খিদের জন্য় চিকেন মোমো তো রয়েছেই। মিষ্টির চাহিদাও আকাশছোঁয়া। ফিরনি, রাবড়ি, মালপোয়া, শাহি টুকরার খোঁজ সবচেয়ে বেশি করেন শহরবাসী। তা ছাড়া, বাঁধা গতের ফিরনি ছাড়াও চকলেট ফিরনি, স্ট্রবেরি ফিরনিরও আজকাল দেখা মিলছে। মোটামুটি বিকেল থেকেই ছড়িয়ে পড়ে স্বাদগন্ধের সুরভি।