
লালবাজারের সামনে ব্যারিকেড
শেষ আপডেট: 10 October 2024 10:09
দ্য ওয়াল ব্যুরো: 'বিচার চাই' স্লোগানের জন্য ষষ্ঠীর রাতে দক্ষিণ কলকাতার একটি পুজো মণ্ডপ থেকে ৯জন দর্শনার্থীকে আটকের প্রতিবাদে এবার লালবাজারের অদূরে বেন্টিঙ্ক স্ট্রিটে পুলিশের ব্যারিকেডের সামনে অবস্থান শুরু করেছিল আন্দোলনরত জুনিয়র চিকিৎসকরা। তাঁদের সঙ্গে সামিল হয়েছেন প্রতিবাদী মানুষরাও। এদিকে সক্কাল সক্কাল লালবাজারের দিকে ঢোকার যাবতীয় রাস্তায় ব্যারিকেড করে দিয়েছে কলকাতা পুলিশ।
জানা যাচ্ছে, যে যে পথ দিয়ে লালবাজারে পৌঁছানো সম্ভব, সেই প্রত্যেকটি পথেই ব্যারিকেড দিয়ে রেখেছে পুলিশ। কাল রাত ৩টে থেকেই নিরাপত্তায় ঘিরে রাখা হয়েছে গোটা চত্বর। বেন্টিঙ্ক স্ট্রিটের মাঝখানে এই মুহূর্তে যারা অবস্থান করছেন। তাঁদের বক্তব্য, যে ন'জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে, তাঁদের অবিলম্বে মুক্তি দিতে হবে।
এক অবস্থানকারীর কথায়, 'পশ্চিমবঙ্গের যা পরিস্থিতি তাতে বিচারের দাবি তোলা যাবে না। বলা যাবে না জাস্টিস ফর আরজি কর। এর জন্য যখন তখন গ্রেফতার করা হবে। মিথ্যে মামলায় ফাঁসানো হবে। অথচ খুনি, ধর্ষকদের খুঁজে পাচ্ছে না তারা। লুকিয়ে রেখে দিচ্ছে। এখন রাজ্য সরকার তথা প্রশাসন এভাবেই চলছে। প্রশাসন আসলে ভয় পাচ্ছে।'
ঘটনার সূত্রপাত, নির্যাতিতার প্রতীকী মূর্তি নিয়ে ষষ্ঠীতে উত্তর ও দক্ষিণ কলকাতার একাধিক মণ্ডপ পরিদর্শনের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন জুনিয়র ডাক্তাররা। সন্ধেয় দক্ষিণ কলকাতার একটি মণ্ডপে জুনিয়র ডাক্তারদের হাতে ওই প্রতীকী মূর্তি দেখে বেশ কিছু মানুষ 'বিচার চাই' স্লোগান তোলেন। যার জেরে মণ্ডপে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশের সঙ্গে বাদানুবাদেও জড়িয়ে যায় কয়েকজন। পরে ওই ৯জনকে আটক করে লালবাজারে নিয়ে যায় পুলিশ।
এখবর পাওয়ার পরই লালবাজার ঘেরাওয়ের কর্মসূচি নেয় আন্দোলনকারীরা। বিষয়টি জানতে পেরে প্রায় সঙ্গে সঙ্গে লালবাজারের নিরাপত্তা বাড়ানো হয়। ব্যারিকেড বসিয়ে দেওয়া হয় বেন্টিঙ্ক স্ট্রিটে। সেখানেই বসে গভীর রাত পর্যন্ত বিক্ষোভ শুরু করেছেন আন্দোলনকারীরা।