
শিয়ালদহ দক্ষিণ শাখার শুরু ট্রেন চলাচল (প্রতীকী ছবি)
শেষ আপডেট: 27 May 2024 10:55
দ্য ওয়াল ব্যুরো: রেমালের ধাক্কায় সোমবার সকাল থেকে শিয়ালদহ দক্ষিণ শাখায় ট্রেন পরিষেবা সম্পূর্ণ বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। শিয়ালদহ লাইনের ওই শাখায় সকাল থেকে কোনও ট্রেন চলাচল করছিল না। এদিন সকাল ন'টা পর্যন্ত সম্পূর্ণ বন্ধ ছিল পরিষেবা। পরিস্থিতি সামলে অবশেষে শিয়ালদহ দক্ষিণ শাখায় শুরু হল পরিষেবা। স্বস্তির নিশ্বাস ফেলছেন যাত্রীরা।
পূর্ব নির্ধারিত ঘোষণা অনুযায়ী, রবিবার রাত ১১টার পর শিয়ালদহ দক্ষিণ শাখায় বন্ধ হয়ে যায় পরিষেবা। তারপর সোমবার সকাল থেকে ওই শাখায় আর কোনও ট্রেন চলেনি। সাউথ লাইনের বিভিন্ন স্টেশনে একাধিক ট্রেন দাঁড়িয়ে ছিল। স্টেশনে যাত্রীদের ভিড় বাড়তে থাকে।
সোমবার সপ্তাহের প্রথম কাজের দিনে রেমালের তাণ্ডবে পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায় শিয়ালদা দক্ষিণ শাখায় ট্রেন চলাচল । আপ ও ডাউন কোনও লাইনেই ট্রেন চলছিল না। সকাল ৯টার পর ট্রেন চলাচল শুরু হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে জানায় পূর্ব রেল কর্তৃপক্ষ।
বিভিন্ন জায়গায় ট্রেন লাইনের উপর গাছ পড়ে গিয়ে ঘটে বিপত্তি। রেলের তরফে জানানো হয়, সেই গাছগুলি তুলে নিয়ে ট্র্যাক পরীক্ষার পর ট্রেন চালু করতে সময় লাগবে। শুধু শিয়ালদহ দক্ষিণ শাখা নয়, হাওড়া - শিয়ালদহে বাতিল হয় বহু ট্রেন। এরপর ৯ টা ১৫ মিনিট নাগাদ লাইন থেকে গাছ সরিয়ে প্রথম শিয়ালদহ দক্ষিণ শাখায় ট্রেন চলাচল শুরু হয়। তবে এখনও বন্ধ রয়েছে শিয়ালদহ হাসনাবাদ শাখার ট্রেন চলাচল।
অন্যদিকে, পূর্ব নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী শিয়ালদহ দক্ষিণ শাখায় সোমবারও ১০টি ট্রেন বাতিল। শিয়ালদহ-সোনারপুর লোকাল, বারুইপুর-লক্ষ্মীকান্তপুর লোকাল,শিয়ালদহ-বারুইপুর লোকাল, সোনারপুর-ডায়মন্ড হারবার লোকাল, ডায়মন্ড হারবার-বারুইপুর লোকাল বাতিল করা হয়েছে। ঘূর্ণিঝড়ের কথা মাথায় রেখে দিঘা যাওয়া আসার সমস্ত ট্রেন আগেই বাতিল করে দেওয়া হয়েছে। রবিবার রেল জানিয়ে দিয়েছিল, শিয়ালদহ দক্ষিণ শাখায় সোমবারও ১০টি ট্রেন বাতিল থাকবে।
রবিবার মধ্যরাতে ল্যান্ডফল করে ঘূর্ণিঝড় রেমাল। রাতভর চলে ঝড়-বৃষ্টির তাণ্ডব। কলকাতায় বাড়ির একাংশ, পাঁচিল ভেঙে পড়ার খবর সামনে এসেছে। তিলোত্তমা জুড়ে প্রায় ৫৩টি গাছ ভেঙে পড়েছে। পার্কসার্কাস, ঢাকুরিয়া, বালিগঞ্জ, আলিপুর সহ কলকাতার বিভিন্ন জায়গায় জমে গিয়েছে জল। ক্যামাক স্ট্রিটের রাস্তা যেন অথৈই সমুদ্র। যদিও কলকাতা পুরসভার দাবি, সকাল ন’টা থেকে দশটার মধ্যে জল নেমে যাবে।