Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনের

ওষুধে কাজ না হওয়ায় ঘুমন্ত অবস্থাতেই তিনজনকে খুন! ট্যাংরাকাণ্ডে বিস্ফোরক দাবি পুলিশের

পুলিশের অনুমান, আত্মহত্যা করতে গিয়েই একসঙ্গে ঘুমের ওষুধ খেয়েছিলেন দে পরিবারের ৬ সদস্য।

ওষুধে কাজ না হওয়ায় ঘুমন্ত অবস্থাতেই তিনজনকে খুন! ট্যাংরাকাণ্ডে বিস্ফোরক দাবি পুলিশের

ফাইল ছবি

শেষ আপডেট: 20 February 2025 19:28

দ্য ওয়াল ব্যুরো: সময় যত গড়াচ্ছে ট্যাংরার আত্মহত্যার ঘটনায় একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আসছে। এবার তদন্তকারীদের হাতে নয়া তথ্য। অনুমান করা হচ্ছে, আত্মহত্যা করতে গিয়েই একসঙ্গে ঘুমের ওষুধ খেয়েছিলেন দে পরিবারের ৬ সদস্য।

কিন্তু মৃত্যুর চেষ্টা করলেও পরদিন সকালে পরিবারের তিনজন পুরুষ সদস্যের ঘুম ভেঙে যায়। কিন্তু তখনও মহিলা সদস্যদের ঘুমই ভাঙেনি বলে খবর। তারপরই বাড়ির দরজা ভেঙে ঘুমন্ত অবস্থায় বাড়ির দুই বউ ও এক মেয়ের নিথর দেহ উদ্ধার হয়। তাঁদের হাতের শিরা কেটে খুন করা হয় বলে অভিযোগ।

পুলিশ জানতে পেরেছে, ট্যাংরার বাসিন্দা দে পরিবারের দুই ভাই প্রণয় ও প্রসূন আগে থেকেই ঠিক করেছিলেন নাবালিকা সন্তানকে শহরের কোনও হাসপাতালে রেখে তাঁরা আত্মহত্যা করবেন। কিন্তু নাবালক তাতে একেবারে রাজি না হওয়ায় সমস্যায় পড়েছিলেন দু’জনে। তারপরই দুর্ঘটনা ঘটে বলে মত তদন্তকারীদের

ইতিমধ্যে প্রসূন ও প্রণয়কে জিজ্ঞাসাবাদ করে জানা গিয়েছে, গত ১৭ তারিখ, সোমবার রাতে একইসঙ্গে ঘুমের ওষুধ খায় দে পরিবারের ৬ সদস্য। কিন্তু পরেরদিন সকালে ঘুম ভাঙে প্রণয়, প্রসূন ও নাবালক পুত্র সন্তানের। কিন্তু বাকি মহিলা সদস্যদের ঘুম তখনও ভাঙেনি বলেই অভিযোগ। এরপরই দুই বউয়ের হাতের শিরা কেটে খুন করা হয়।

এরপর প্রসূন ও প্রণয় ভেবেছিলেন, নাবালককে কোনও এক হাসপাতালে ভর্তি করিয়ে তারপর দুই ভাই আত্মঘাতী হবেন। কিন্তু ওই নাবালক হাসপাতালে ভর্তি হতে রাজি না হওয়ায় বাধে বিপত্তি। সে কারণেই রুবি হাসপাতাল সংলগ্ন ইএম বাইপাসের রাস্তায় আহতরা ঘুরপাক খেতে খেতেই ঘটে যায় দুর্ঘটনা।

ময়নাতদন্তের রিপোর্টে দাবি করা হচ্ছে, মৃত্যুর তিন থেকে ছয় ঘণ্টা আগে খাবার খেয়েছিলেন সুদেষ্ণা ও রোমি ও নাবালিকা। তাহলে কি মাঝরাতে উঠে খাওয়াদাওয়া করে ফের ঘুমিয়ে পড়েছিলেন তাঁরা? সেই উত্তর জানার চেষ্টা চলছে। পাশাপাশি হাতের শিরা কাটার ক্ষত নিয়েও একাধিক প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে তদন্তকারীদের

ঋণের বোঝা কমাতেই ৬ টি ব্যাঙ্ক ও কিছু এজেন্সি থেকে ঋণ নিয়েছিল দে পরিবার। বাড়িটিও বন্দক দিয়েছিল তাঁরা। সবমিলিয়ে দেনা ছিল কোটি কোটি টাকার। তার জন্যই এমন পরিকল্পনা বলেই মনে করছে পুলিশ।

ট্যাংরার বাড়ি থেকে তিনজনের দেহ উদ্ধার করেছিল পুলিশ। একই বাড়ির দুই বধূ ও এক কিশোরী কন্যার দেহ উদ্ধার হয়েছিল ওই বাড়িতে। আবার ওই পরিবারের দুই ভাই ও একজনের নাবালক সন্তানকে বাইপাস থেকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছিল। তাদের গাড়িটি বাইপাসের ধারের পিলারে ধাক্কা দিয়েছিল। সেখানেই আহত হয়েছিলেন তারা।


```