
বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু
শেষ আপডেট: 21 March 2025 16:04
দ্য ওয়াল ব্যুরো: গোর্খা টেরিটোরিয়াল প্রশাসন (জিটিএ) শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সিট গঠনের ভাবনা। যাঁরা অভিযুক্ত, অবিলম্বে তাঁদের বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসুর। তিনি বলেন, পার্থ চট্টোপাধ্যায়, বিনয় তামাং, তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্য-সহ অন্যান্য অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে দ্রুত রিপোর্ট জমা করতে হবে।
পাহাড়ে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় রাজ্য ৪১ এ নোটিশ দেওয়ার ক্ষেত্রে কেন গড়িমসি করেছে তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন বিচারপতি বসু। রাজ্যকে ভর্ৎসনা করে তিনি বলেন, "আপনারা নোটিস দিয়ে ডাকবেন কিনা আপনাদের ব্যাপার। ওরা কোনও ভিআইপি কি? আপনারা পদক্ষেপ না নিলে আদালত পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হবে।"
রাজ্যের যুক্তি, এফআইআর-এ নাম থাকলেই তাঁকে অভিযুক্ত বলা যুক্তিসঙ্গত নয়। এক্ষেত্রে নোটিশ দেওয়ার আগে বিবেচ্য যে 'অভিযুক্ত' নাকি 'সন্দেহভাজন'। আদালতবান্ধব জানান, কারও নাম এফআইআর-এ থাকলে তাঁকে ৪১ এ নোটিস দেওয়া স্বাভাবিক। পরবর্তীতে সেই ভিত্তিতে পদক্ষেপ হয়।
বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের পাল্টা যুক্তি, ২০২৪ সালে ১০ এপ্রিল এফআইআর দায়ের হয়। তারপর রাজ্যের এফেক্টিভ স্টেপ কী ছিল? যথাযথ তদন্ত হওয়া জরুরি।
মামলার পরবর্তী শুনানি ৭ এপ্রিল। ওই দিন সিবিআই-এর তরফেও আইনজীবীকে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে। বস্তুত, জিটিএ মামলায় রাজ্যের স্কুল শিক্ষা দফতরের অভিযোগের ভিত্তিতে বিধাননগর উত্তর থানায় এফআইআর দায়ের করা হয়।
সেই এফআইআর-এ প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়, জিটিএ নেতা বিনয় তামাং, তৃণমূলের ছাত্র পরিষদের নেতা তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্য-সহ একাধিক নাম ছিল। সেই অভিযোগে সিবিআইকে অনুসন্ধান করে দেখার নির্দেশ দিয়েছিল হাই কোর্টের বিচারপতি বসুর সিঙ্গল বেঞ্চ।