গত বছরের ৯ অগস্ট ভোর রাতে কলকাতার আরজি কর হাসপাতালের (RG Kar Rape and Murder Case) চিকিৎসক পড়ুয়াকে ধর্ষণ ও খুন করা হয়েছিল। সেই মূল ঘটনার ৫ মাস ১১ দিন পর অবশেষে সাজা ঘোষণা হল।
সিবিআই প্রথম থেকেই অভিষুক্ত সিভিক ভলেন্টিয়ারের ফাঁসির আবেদন করেছিল। চার্জশিটেও তাঁকে একা দোষী হিসেবে দাবি করেছিল। সেই প্রেক্ষিতেই শনিবার শিয়ালদহ আদালতের বিচারপতি সঞ্জয় রায়কে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ৬৪ (ধর্ষণ), ৬৬ (ধর্ষণের পর মৃত্যু) এবং ১০৩ (১) (খুন) ধারায় দোষী সাব্যস্ত করেছিলেন।
সোমবার বিকেল পৌনে তিনটে নাগাদ আরজি কর মামলায় যখন সাজা ঘোষণা (RG Kar Case Verdict) করছেন বিচারপতি অনির্বাণ দাস, তখন বাইরে রাস্তায় তুমুল স্লোগান উঠছে—ধর্ষকের ফাঁসি চাই। শুধু প্রতিবাদীরাই নয়, অনেকেরই ধারণা হয়েছিল ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় একমাত্র অভিযুক্ত সঞ্জয় রায়য়ের মৃত্যুদণ্ডই হতে চলেছে।
কিন্তু রায় ঘোষণা করতে গিয়ে বিচারক অনির্বাণ দাস জানালেন, সঞ্জয় রায়য়ের অপরাধ ‘বিরলতম’ নয়। তাকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিচ্ছে আদালত।


