
ফাইল ছবি
শেষ আপডেট: 3 March 2025 19:43
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ট্যাংরা কাণ্ডে (Tangra Triple Death) দুই ভাই প্রসূন এবং প্রণয় দের ভূমিকাই পুলিশের আতসকাচে। বাইপাসের দুর্ঘটনায় আহত হয়ে তাঁরা এতদিন একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। সেখান থেকে পরে তাঁদের এনআরএস হাসপাতালে (NRS Hospital) স্থানান্তরিত করা হয়। সোমবার হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন প্রসূন। এখন প্রশ্ন, তাঁকে কি এবার গ্রেফতার করে হেফাজতে নেবে পুলিশ (Kolkata Police)?
প্রসূন পুলিশের কাছে দোষ স্বীকার করে নিয়েছেন বলে সূত্রের খবর। এতদিন ধরে তিনি দাবি করে আসছিলেন যে, স্ত্রী এবং বৌদি নিজেরাই হাত কেটেছিলেন। কিন্তু সম্প্রতি জানা যায়, হাত কেটে তিনজনকে খুনও করেছেন তিনি! মনে করা হচ্ছে, এই স্বীকারোক্তির জেরে পুলিশ ট্যাংরা কাণ্ডের কিনারা করতে পারবে। সোমবার হাসপাতাল ছেড়ে দেওয়ার পর প্রসূনকে ট্যাংরা থানাতেই নিয়ে গেছে পুলিশ। অনুমান, সোমবার না হলেও খুব তাড়াতাড়ি তাঁকে গ্রেফতার করা হতে পারে।
বাইপাসের দুর্ঘটনায় আহত নাবালকও শিশু সুরক্ষা কমিশনের কাছে দাবি করেছিল যে, কাকাই খুন করেছে। তাঁকে মারতে এলে সে মরার ভান করে পড়েছিল। সূত্রের খবর, এতদিনে পুলিশের কাছে এই কথাই স্বীকার করে নিয়েছেন প্রসূন দে। তিনি নাকি জানিয়েছেন, প্রথমে তাঁর স্ত্রী রোমি নিজেই হাত কাটার চেষ্টা করেন। কিন্তু না পারলে তিনি মুখে বালিশ চাপা দিয়ে হাত কেটে খুন করেন তাঁকে। পরে বৌদি সুদেষ্ণারও হাত তিনিই কাটেন।
পুলিশ সূত্রে খবর, দে পরিবারের দুই ভাইকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। তবে সেটা মুখোমুখি বসিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ হবে কিনা, তা এখনও স্পষ্ট নয়। বড় ভাই প্রণয় আগে পুলিশকে জানিয়েছিলেন, হাত কাটার ভাবনা তাঁর ভাইয়েরই ছিল। তিনি নিজে ভয়ে কাটতে পারেননি। পুলিশ দেখেছিল একমাত্র তাঁর হাতেই কাটার দাগ নেই। তখন সন্দেহ হয়েছিল তিনিই খুনগুলি করেছেন। তবে পরে প্রসূন যা বয়ান দেন তাতে ট্যাংরা কাণ্ডের মূল ঘটনা পরিষ্কার হয়ে গেছে পুলিশের কাছে।