
ফাইল ছবি
শেষ আপডেট: 17 February 2025 16:52
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ট্যাংরার ক্রিস্টোফার রোডের হেলে পড়া দুই আবাসনের প্রোমোটারের জেল হেফাজতের নির্দেশ। সিনিয়র মিউনিসিপাল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক রেশমি দে এই নির্দেশ দিয়েছেন। আগামী ২১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তাঁদের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
১১/২ ক্রিস্টোফার রোডের সবুজ বাড়ির প্রোমোটার ছিলেন রজত লি এবং পাশের সাদা বাড়ির প্রোমোটার ছিলেন সুরজিৎ মান্না। গত ২২ জানুয়ারি কলকাতা পুরসভার ৫৮ নম্বর ওয়ার্ডে ট্যাংরা এলাকার ক্রিস্টোফার রোডের একটি নির্মীয়মাণ বহুতল পাশের বহুতলের দিকে হেলে পড়ে। গত বছরই বহুতলটির নির্মাণকাজ শুরু করেছিল প্রোমোটিং সংস্থা। ঘটনায় কারও মৃত্যু না হলেও নির্মাণকাজ চলাকালীনই তা হেলে পড়ায় আতঙ্ক ছড়ায় বাসিন্দাদের মধ্যে।
ঘটনার পর সাদা বাড়ির প্রোমোটার বেপাত্তা ছিলেন। দীর্ঘদিন গা ঢাকা দিয়েছিলেন তিনি। তবে শেষরক্ষা হয়নি। রজত লি ধরা পড়ার পরই সুরজিৎ মান্না গ্রেফতার হন। এই ঘটনার কয়েকদিনের মধ্যেই কলকাতা পুরসভা ওই বহুতল ভাঙার নির্দেশ দেয়। কিন্তু ওই বহুতল ভাঙতে গিয়ে বাসিন্দাদের বিক্ষোভের মুখে পড়েন পুরকর্মীরা। দু'পক্ষের মধ্যে দীর্ঘ সময় কথা কাটাকাটির পর ভাঙার কাজ শুরু করে পুরসভা।
এই ইস্যুতে মুখ খুলে মেয়র ফিরহাদ হাকিম স্পষ্ট বলেছিলেন, 'গায়ের জোরে কোনও বেআইনি বাড়ি আটকানো যায় না।' তবে ওই আবাসনের বাসিন্দাদের আশ্বাস দিয়ে তিনি এও জানান, সরকারের তরফে ব্যবস্থা করা হবে।
যারা বাড়ি হারালেন তাঁদের 'বাংলার বাড়ি'র জন্য আবেদন করার পরামর্শ দিয়েছেন ফিরহাদ। বলেছেন, অনেক গরীব মানুষ আছেন যাদের বাড়ি করার ক্ষমতা নেই। তারা সরকারের সঙ্গে কাউন্সিলর বা বিধায়কের মাধ্যমে যোগাযোগ করুন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গরীব মানুষের জন্য 'বাংলার বাড়ি' প্রকল্প করেছেন। সরকার চেষ্টা করবে সাহায্য করতে।