.webp)
সিজিও থেকে মেডিক্যাল টেস্টে নিয়ে যাওয়ার পথে।
শেষ আপডেট: 15 September 2024 12:49
দ্য ওয়াল ব্যুরো: আরজি করে ডাক্তারি ছাত্রীকে ধর্ষণ-খুনের ঘটনায় তথ্য প্রমাণ লোপাটের অভিযোগে শনিবার রাতে টালা থানার ওসি অভিজিৎ মণ্ডলকে গ্রেফতার করে সিবিআই। রবিবার সকালে সিজিও থেকে ওসি টালাকে মেডিক্য়াল টেস্টে নিয়ে যাওয়ার সময় সিজিওর সামনে তাকে ঘিরে প্রবল বিক্ষোভ দেখান জনতা।
কলকাতা পুলিশের অভিযুক্ত ওসিকে লক্ষ্য করে জুতোও দেখান মহিলারা। 'উই ওয়ান্ট জাস্টিসে'র পাশাপাশি কলকাতা পুলিশকে উদ্দেশ্য করেও একাধিক স্লোগান দিতে দেখা যায় উপস্থিত বিক্ষোভকারীকে।
সূত্রের খবর, মেডিক্যাল টেস্টের পর টালা থানার ওসিকে শিয়ালদহ আদালতে হাজির করিয়ে নিজেদের হেফাজতে চেয়ে আবেদন জানাবে সিবিআই। একই সঙ্গে জেল হাজতে থাকা সন্দীপ ঘোষকেও ছাত্রীকে ধর্ষণ-খুনে তথ্য লোপাটের অভিযোগে এদিন ফের হেফাজতে চেয়ে আদালতে আবেদন জানাবে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। বেলা ১২টা নাগাদ প্রেসিডেন্সি জেল থেকে সন্দীপকে আদালতের উদ্দেশে নিয়ে যাওয়া হয়।
গত ৯ অগস্ট আরজি করের চারতলার সেমিনার হল থেকে উদ্ধার হয়েছিল ডাক্তারি ছাত্রীর দেহ। ঘটনার পর কেন খুনের মামলা রুজু না করে অস্বাভাবিক মামলা রুজু করা হয়েছিল, তা নিয়ে আগেই প্রশ্ন উঠেছিল। এমনকি ক্রাইম সিন সুরক্ষিত না করার গুরুতর অভিযোগও রয়েছে পুলিশের বিরুদ্ধে। এব্যাপারে শীর্ষ আদালতেও তীব্র ভর্ৎসনার মুখে পড়েছিল কলকাতা পুলিশ।
এ ব্যাপারে সম্প্রতি একটি ভিডিও ভাইরাল (দ্য ওয়াল অবশ্য এর সত্যতা যাচাই করেনি) হয়েছিল। যার জেরে পুলিশি গাফিলতি নিয়ে সরব হন আমজনতাও।
নির্য়াতিতার মা-বাবা থেকে শুরু করে আন্দোললনকারীরা প্রথম থেকেই পুলিশ ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষর বিরুদ্ধে তথ্যপ্রমাণ লোপাটের অভিযোগে সরব হয়েছিলেন। ৯ অগস্ট থেকে বিচার চেয়ে আন্দোলনও চালিয়ে যাচ্ছেন জুনিয়র চিকিৎসকরা। অবশেষে তাঁদের পাঁচটি দাবির মধ্যে অন্যতম একটি দাবি (তথ্য প্রমাণ লোপাটে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করা) পূরণ হওয়ায় উচ্ছ্বসিত আন্দোলনকারীরাও।
অতীতে আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষকে আদালতকে থেকে বের করার সময় তার মাথায় চাটি মারতে দেখা গিয়েছিল ক্ষুব্ধ জনতাকে। আরজি করে ডাক্তারি ছাত্রী খুনের ঘটনায় এদিনও মানুষের সেই প্রবল ক্ষোভ সামনে এসেছে। সিজিও থেকে বের করার সময় টালা থানার ওসিকে লক্ষ্য করে জুতো দেখান মহিলারা।
কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রের খবর, ছাত্রীকে ধর্ষণ-খুনের ঘটনায় ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ২৩৮ ধারায় তথ্যপ্রমাণ লোপাট , ১৯৯ ধারায় সরকারি কর্মী হিসেবে দায়িত্ব পালন না করা এবং ৬১/২ ধারায় ষড়যন্ত্রের অভিযোগ আনা হয়েছে অভিজিৎ মণ্ডল, সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে।