
শেষ আপডেট: 17 October 2023 13:16
দ্য ওয়াল ব্যুরো: মহালয়ার দিন থেকেই শুরু হয়ে গিয়েছে মণ্ডপ হপিং। শ্রীভূমি স্পোর্টিং, সুরুচি সংঘের মতো মণ্ডপগুলিতে সোমবার রাতের ভিড় দেখে বোঝা যাচ্ছিল না, দ্বিতীয়া নাকি সপ্তমী! কালো মাথার থিক থিকে ভিড়ই জানান দিচ্ছিল, পুজোর ক’দিন দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড় আরও বাড়বে। এবার অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পুজোর কদিন নিরাপত্তা আরও জোরদার করার উদ্যোগ নিল কলকাতা পুলিশ।
বস্তুত, পুজোর ক’দিন সাধারণ মানুষের অসুবিধা হলে কড়া পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দিয়ে রেখেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার আলিপুরে পুলিশের অনুষ্ঠান থেকে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আমি কাউকে বারণ করছি না, কিন্তু ভিআইপিদের জন্য কোনও রাস্তা যেন বন্ধ না করা হয়। যদি তা হয় আর আমি যদি দেখতে পাই তাহলে আমি কিন্তু ব্যবস্থা নেব।”
সূত্রের খবর, মুখ্যমন্ত্রীর ওই হুঁশিয়ারির পরই শহরের নিরাপত্তা আরও জোরদার করার উদ্যোগ নিয়েছে কলকাতা পুলিশ। জানা গেছে, চতুর্থী থেকে ভিড় আরও বাড়বে আন্দাজ করেই নিরাপত্তা আরও আঁটসাঁট করা হচ্ছে। চতুর্থীর দিন শহরের রাস্তায় দর্শনার্থীদের নজরদারির দায়িত্বে থাকবেন ৪ হাজার পুলিশ কর্মী। পঞ্চমী থেকে নবমী পর্যন্ত ওই সংখ্যাটা বেড়ে হবে ৮ হাজার।
৬ হাজার পুলিশ কর্মী থাকবেন ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে। এছাড়াও শহরের গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলি এবং যে পুজো মণ্ডপগুলিতে জনারণ্য হয় তার আশে পাশে ওয়াচ টাওয়ার থেকেও চালানো হবে নজরদারি। শহরের বিভিন্ন এলাকায় এরকম ৫১টি ওয়াচ টাওয়ার থাকছে নজরদারি জন্য।
পুরো সিস্টেমটি তদারকির দ্বায়িত্বে থাকছেন ১৬ জন ডেপুটি কমিশনার পদমর্যাদার অফিসার, ৮২ জন অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার পদমর্যাদার অফিসার এবং ২০০ জন ইন্সপেক্টর পদমর্যাদার অফিসার। আচমকা কেউ অসুস্থ হয়ে পড়লে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার জন্য শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে থাকবে ৩০টি অ্যাম্বুলেন্স। এছাড়়াও রাখা হচ্ছে ১৬টি ক্যুইক রেসপন্স টিম।
পুলিশের এক কর্তার কথায়, “শহর কলকাতার পাশাপাশি শহরতলী এবং জেলা থেকেও প্রচুর মানুষ ঠাকুর দেখতে আসেন। এবারে হাওয়া দফতরের পূর্বাভাসে, বৃষ্টির কোনও খবর নেই। অর্থাৎ ভিড় আরও বাড়বে। তাই সবদিক বিবেচনা করেই বাড়তি নিরাপত্তার বন্দোবস্ত করা হচ্ছে।”