
শেষ আপডেট: 25 September 2021 08:59
ভবানীপুরের ভোটারদের একটা বড় অংশ মারওয়াড়ি, গুজরাটি ও পাঞ্জাবি। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরি টানা তিনদিন ভবানীপুরে থেকে প্রচার করে গিয়েছেন পাঞ্জাবি ভোটারদের মধ্যে। তবে বিজেপি নেতা-কর্মীরা বেশি খুশি স্মৃতি আসাতে। কারণ, তিনি একদিকে যেমন আক্রমণাত্মক ভাষণে পটু তেমনই হিন্দি, ইংরিজি ও বাংলায় স্বচ্ছন্দ। নির্বাচনী প্রচার সভা জমাতে তাঁর নামডাক বিস্তর। সুষমা স্বরাজ বেঁচে থাকতেই তাঁর পাশাপাশি স্মৃতিকেও বিজেপি ভোটের প্রচারে পাঠাতে শুরু করে। সুষমা মারা যাওয়ার পর দলে বলতে গেলে এই কাজে স্মৃতিই ভরসা। ভবানীপুরে স্মৃতি এদিন অনেকের সঙ্গেই বাংলায় কথা বলেন। মাসিমা, মেসোমশাই, কাকু (masima, mesomasai, kaku) বলে সম্মোধন করেন অনেককে।
গতকাল প্রেক্ষাগৃহে স্মৃতির বক্তবের কিছু অংশ নিয়ে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়েছে। তৃণমূলের বক্তব্য, তিনি সাম্প্রদায়িক বিষবাষ্প ছড়াতে এসেছেন। সূত্রের খবর, স্মৃতি সেখানে বলেন, অনেক সময় কুড়ি শতাংশ মানুষ এমন দলবন্ধ হয়ে একটি দলকে ভোট দেয় যে বিপরীত পক্ষের ৪০ শতাংশ ভোটও জয় নিশ্চিত করতে পারে না। বিরোধীদের অভিযোগ, স্মৃতি আসলে সংখ্যালঘুদের ইঙ্গিত করে বলতে চেয়েছেন যে তারা বিজেপিকে হারাতে একজোট হয়ে থাকে। তাই সংখ্যাগুরুদেরও জোটবদ্ধ হয়ে ভোট দেওয়া উচিত।
সোমবারের ঘরোয়া সভায় বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বারে বারে শ্রোতাদের বলেন, কাজ আছে বলে কেউ ভোটের দিন ঘরে বসে থাকবেন না প্লিজ। ভবানীপুরের গুজরাটি ও মারওয়াড়ি ভোটারদের সিংহভাগই ব্যবসা-বাণিজ্যের সঙ্গে যুক্ত। তাঁদের প্রতি সুকান্তর আহ্বান, আফগানিস্তানের দিকে চেয়ে দেখন কী হচ্ছে। ব্যবসা-বাণিজ্য রক্ষা করার কথা মাথায় রেখে ভোট দেবেন।