
চাকরিহারাকে লাথি মারার এই ভিডিওই ভাইরাল হয়েছে
শেষ আপডেট: 11 April 2025 12:59
দ্য ওয়াল ব্যুরো: কসবায় ডিআই (Kasba DI Office) অফিসে চাকরিহারাদের বিক্ষোভের ঘটনার তদন্ত করবেন এসআই রিটন দাস (Ritan Das)। তিনিই সেই এসআই যাঁর বিরুদ্ধে বিক্ষোভরত চাকরিপ্রার্থীদের লাথি মারার অভিযোগ উঠেছে। ডিআই অফিসে ঝামেলার ঘটনায় যে এফআইআর (FIR) দায়ের হয়েছিল, চাকরিহারাদের বিরুদ্ধে সেই মামলারই তদন্ত করবেন অভিযুক্ত এসআই। অন্তত লালবাজারের তরফে এখনও অবধি তাই জানা গিয়েছে। যদিও সূত্রের খবর, বিতর্ক এড়াতে নাকি ঘটনার আইও বদলও করে দেওয়া হতে পারে। সে ক্ষেত্রে রিটন দাসের জায়গায় সঞ্জয় সিং-এর নাম উঠে আসছে। খবর নিশ্চিত করতে দ্য ওয়াল কসবা থানার সঙ্গে যোগাযোগ করলে এ ব্যাপারে কিছু বলতে নারাজ তারা।
গত বুধবার চাকরিহারারা জেলায় জেলায় ডিআই অফিস অভিযান করেছিলেন। কসবায় সেই অভিযানে তুমুল ঝামেলা হয়। অভিযোগ, ডিআই না থাকায় তালাবন্ধ ছিল দফতর। চাকরিহারাদের কেউ কেউ নাকি সেই তালা ভেঙে দফতরে ঢোকার চেষ্টা করেছিলেন।
পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশ নিরস্ত্র চাকরিহারাদের উপর লাঠিচার্জ করে। শুধু তাই নয় এক ভিডিওতে রিটন দাস নামে ওই এসআই-কে এক চাকরিহারাকে লাথি মারতেও দেখা যায় (ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি দ্য ওয়াল)। সেই ঘটনার পরপরই উল্টে ডিআই নিজে একটি অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। লালবাজার সূত্রে খবর, সেই মামলার তদন্তের ভার দেওয়া হয়েছে রিটনকে।
যার পর থেকেই সমালোচনা হচ্ছে, যে পুলিশ অফিসারের বিরুদ্ধে এক চাকরিহারাকে লাথি মারার অভিযোগ উঠেছে, তাঁকেই কী করে ঘটনার তদন্তভার দেওয়া হয়? এহেন বিস্তর বিতর্কের আবহেই সূত্রের খবর রিটনকে সরিয়ে তদন্ত করতে পারেন সঞ্জয় সিং। সে ব্যাপারে নিশ্চিত হতে কসবা থানার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা এ ব্যাপারে মুখ খুলতে রাজি হয়নি।
কসবা ডিআই অফিসে পুলিশের লাঠিচার্জ ও লাথি মারার ঘটনার প্রেক্ষিতেই সাংবাদিক বৈঠক করে পুলিশ কমিশনার মনোজ ভার্মা জানান, "এটা অনভিপ্রেত, তবে পুরো ফুটেজ দেখা দরকার। একতরফা কোনও ছবি দেখে পরিস্থিতি নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া ঠিক নয়।" পাল্টা ভিডিও প্রকাশ করে পুলিশের তরফে জানানো হয়, "বিনা প্ররোচনায় পুলিশের উপর হামলা হয়েছিল। সে কারণেই 'হালকা বলপ্রয়োগ' করা হয়।"