
ফাইল ছবি।
শেষ আপডেট: 3 August 2024 11:01
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ঘূর্ণাবর্ত এবং মৌসুমি অক্ষরেখার প্রভাবে গত কয়েকদিন ধরেই কলকাতা-সহ দুই বঙ্গে বৃষ্টি হচ্ছিল। শুক্রবার রাত থেকে বৃষ্টির পরিমাণ আরও বাড়তে থাকে। শনিবার সকালেও কলকাতা-সহ জেলায় জেলায় ভারী বৃষ্টিপাত হয়েছে। যার জেরে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক এলাকা জলমগ্ন হয়ে পড়েছে।
উল্টোডাঙা, সল্টলেক, বাগুইআটি, পাতিপুকুর-সহ কলকাতার একাধিক জায়গায় রাস্তা জলের তলায় চলে গিয়েছে। কোথাও কোথাও জল এক হাঁটু সমানও। জলমগ্ন এয়ারপোর্ট ও নিউটাউনের বিভিন্ন এলাকাও। বৃষ্টি না থামলে পরিস্থিতির আরও অবনতির আশঙ্কা করা হচ্ছে। তবে পাম্পের সাহায্যে ইতিমধ্যে সল্টলেক-সহ কয়েকটি এলাকায় জল নামানোর কাজ শুরু করেছে প্রশাসন।
আবহাওয়া দফতরের তরফে শনিবার ভোর ৪ টা থেকে ৬টা পর্যন্ত কোথায় কত বৃষ্টিপাত হয়েছে, তার পরিমাণও তুলে ধরা হয়েছে। তবে পরিস্থিতির জন্য নিকাশি সমস্যাকেই দায়ী করছেন বাসিন্দারা।
আবহাওয়া দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, শনিবার ভোর ৪টে থেকে ৬টা পর্যন্ত কলকাতায় রেকর্ড পরিমাণ বৃষ্টি হয়েছে। সবচেয়ে বেশি বৃষ্টি হয়েছে উল্টোডাঙা এলাকায় ৪২ মিলিমিটার। একইভাবে চিংড়িঘাটায় ৩৯ মিলিমিটার, মানিকতলায় ৩৩ মিলিমিটার, দত্তবাগানে ৩২ মিলিমিটার, ঠনঠনিয়া এলাকায় ২৪ মিলিমিটার, তপসিয়ায় ৩৫ মিলিমিটার, বালিগঞ্জে ২৩ মিলিমিটার, যোধপুর পার্কে ২২ মিলিমিটার, কালীঘাটে ১৫ মিলিমিটার।
এদিকে নিম্নচাপের দাপটে শনিবারও ভারী বৃষ্টিপাতের আশঙ্কা করা হচ্ছে। তেমনটা হলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে সল্টলেক-সহ বেশ কিছু এলাকায় পাম্পের সাহায্যে জল নামানোর কাজ শুরু করেছে পুরসভা। এদিকে সামান্য বৃষ্টিতে এলাকার পর এলাকায় জল জমে যাওয়ার জন্য নিকাশি সমস্যাকেই দুষছেন বাসিন্দারা। পাল্টা হিসেবে নাগরিক সচেতনতা নিয়েও প্রশ্ন তুলছে পুরসভা।
পুর কর্তৃপক্ষের মতে, কিছু এলাকায় নিকাশি সমস্যা রয়েছে। তবে প্লাস্টিক ব্যবহার বন্ধ করার আর্জিতে বিশেষ কাজ হয়নি। তারই জেরে বহু এলাকা অল্প বৃষ্টিতেও জলমগ্ন হয়ে পড়েছে।