
ডুবুরি নামিয়ে খালে তল্লাশি কলকাতা পুলিশের
শেষ আপডেট: 17 November 2024 15:58
দ্য ওয়াল ব্যুরো: তৃণমূল কাউন্সিলর সুশান্ত ঘোষকে লক্ষ্য করে হামলার ঘটনায় উত্তপ্ত রাজ্য রাজনীতি। এবার ধৃত আফরোজ খান ওরফে গুলজারকে জিজ্ঞাসাবাদ করে চাঞ্চল্যকর তথ্য হাতে এল পুলিশের। সে কারণেই রবিবার সকাল সকাল কসবার রাজডাঙ্গার চক্রবর্তী পাড়ায় সুশান্ত ঘোষের বাড়ি থেকে ঠিক ৮০ মিটার দূরত্বে শান্তিপল্লি খালে ডুবুরি নামিয়ে তল্লাশি চালাল পুলিশ।
কলকাতা পুলিশ সূত্রে খবর, জেরায় গুলজার স্বীকার করেছে, শুক্রবার রাতে তৃণমূল কাউন্সিলরকে গুলি করে পালানোর সময় বাড়ির পাশে এই খালেই আগেয়াস্ত্র ফেলে চম্পট দেয় অভিযুক্তরা। জেরায় সেই তথ্য উঠে আসতেই শুরু হয় চিরুনি তল্লাশি।
তবে এদিন শান্তি পল্লী দীর্ঘক্ষণ তল্লাশি চালালেও কোনও আগেয়াস্ত্রই উদ্ধার হয়নি বলে খবর। এরপর খাল থেকে উঠে লাগোয়া জঙ্গলে অস্ত্রের খোঁজে তল্লাশি চালান পুলিশের কর্মীরা। তাতেও লাভের লাভ কিছুই হয়নি।
কসবার শুটআউটকাণ্ডে উঠে এসেছে বিহার যোগ। মূলচক্রী ইকবালের দেওয়া আগ্নেয়াস্ত্র দিয়েই তৃণমূল কাউন্সিলর সুশান্ত ঘোষের ওপর হামলা চলে। এর আগেও অগস্ট ও অক্টোবর-দু’বার সুশান্ত ঘোষের ওপর হামলার চেষ্টা হয়েছে বলে অভিযোগ। শনিবারই গ্রেফতার হয়েছে মূল চক্রী ইকবাল ওরফে আফরোজ খান। পূর্ব বর্ধমানের গলসি থেকে তাকে পাকড়াও করে কলকাতায় নিয়ে আসে পুলিশ। এরপর টানা জেরার মুখে ইকবাল অপরাধের কথা স্বীকার করে।
শুক্রবার কলকাতা পুরসভার ১০৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলরকে খুনের চেষ্টা ব্যর্থ হতেই হাতেনাতে ধরা পড়ে শুটার যুবরাজ সিং। গ্রেফতারের পর ওই তরুণ পুলিশের কাছে দাবি করেন, কাউন্সিলরকে ভয় দেখাতেই তাকে সুপারি দেওয়া হয়েছিল, মারার জন্য নয়।
গুলজারের দাবি, ভয় দেখাতে নয়, মারার জন্যই আততায়ীকে পাঠিয়েছিল সে। মাস্টারমাইন্ডের আরও দাবি, যুবরাজদের দু’টি বন্দুক দিয়েছিল সে। যুবরাজ ছাড়াও স্কুটিচালকের কাছেও একটি বন্দুক ছিল। সেই বন্দুকের তল্লাশি পেতেই চিরুনি তল্লাশি শুরু করেছে কলকাতা পুলিশ।