
শেষ আপডেট: 23 March 2024 23:04
দ্য ওয়াল ব্যুরো: মহুয়া মৈত্রের করিমপুরের বাড়িতে রাতে তল্লাশি চালালেন সিবিআই আধিকারিকরা। শনিবার দুপুরেই নদিয়ার কৃষ্ণনগরে মহুয়া মৈত্রের সাংসদ কার্যালয়ে হানা দিয়েছিল সিবিআই। শুধু কার্যালয় নয়, মহুয়ার দলীয় দফতরেও তল্লাশি চালায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। তারপর রাতে সিবিআইয়ের পাঁচ-ছ’জনের একটি দল মহুয়ার করিমপুরের বাড়িতে যায়। বাড়ির বাইরে ছিলেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানেরা।
সিবিআই হানার কিছু পরেই নিজের এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে মহুয়া লিখেছেন, “আজ আমার বাড়ি ও দলীয় দফতরে সিবিআই আধিকারিকরা এসেছিলেন। তাঁরা শান্তভাবেই কথা বলেছেন। তল্লাশি চালিয়ে কিছুই পাননি। এখনও আমি আর সায়নী খুঁজে চলেছি আমাদের বিরুদ্ধে বিজেপির প্রার্থী কারা হবেন।”
The CBI came home & to my election offices today. Were very polite. Searched. Found nothing. Meanwhile @sayani06 & I still searching for BJP candidates against us . pic.twitter.com/njt8VXWnuH
— Mahua Moitra (@MahuaMoitra) March 23, 2024
প্রশ্ন ঘুষ কাণ্ডের অভিযোগে কৃষ্ণনগরের বহিষ্কৃত তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রর বিরুদ্ধে গত ১৯ মার্চ সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিল লোকপাল। লোকপালের সেই নির্দেশ মেনে মহুয়ার বিরুদ্ধে বৃহস্পতিবার এফআইআর দায়ের করেছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। তারপরেই এদিন মহুয়া মৈত্রের বাড়িতে পৌঁছে যায় সিবিআই।
সূত্রের খবর, সিবিআইয়ের একটি দল শনিবার সকালে আলিপুরে ‘রত্নাবলী’ নামে একটি আবাসনে যায়। ওই আবাসনের ন’তলার একটি ফ্ল্যাটে থাকেন মহুয়ার বাবা দ্বীপেন্দ্রলাল মৈত্র। সেখানেই কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থার আধিকারিকরা গিয়েছিলেন বলে জানা গেছে। তারপর দুপুরের দিকে কৃষ্ণনগরের সিদ্ধেশ্বরী তলায় মহুয়ার দলীয় দফতরে হানা দেন সিবিআই আধিকারিকরা। রাতে মহুয়ার করিমপুরের বাড়িতে যায় সিবিআই।
যদিও মহুয়া বেশিরভাগ সময়ে করিমপুরে থাকেন। কৃষ্ণনগরের ওই বাড়িতে খুব একটা থাকেন না তিনি। ২০১৯ সালে নির্বাচনের সময় সিদ্ধেশ্বরী তলার এই বাড়ি থেকে কাজ করেছিলেন মহুয়া। তাই সেখানেও তল্লাশি চালিয়েছে সিবিআই।
গত ডিসেম্বরে মহুয়ার বিরুদ্ধে ওঠা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগের জেরে তাঁর সাংসদ পদ খারিজ হয়েছিল। সংসদীয় প্যানেলের সুপারিশে সংসদে ভোটাভুটি করে লোকসভা থেকে মহুয়াকে বহিষ্কার করা হয়। গত ১৯ মার্চ সংসদে টাকা নিয়ে প্রশ্নকাণ্ডে মহুয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রসঙ্গে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিল লোকপাল। বরখাস্ত হওয়া তৃণমূল সাংসদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগকে ‘গুরুতর’ বলে লোকপালের নির্দেশিকায় বর্ণনা করা হয়। এরপর সিবিআইয়ের তরফে মহুয়ার বিরুদ্ধে একটি এফআইআর দায়ের হয়।