
বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য এবং ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত
শেষ আপডেট: 8 August 2024 13:02
দ্য ওয়াল ব্যুরো: রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের মৃত্যুর খবরে ভেঙে পড়েছেন অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। বৃহস্পতিবার সকালে নিজের পাম অ্যাভিনিউয়ের বাড়িতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন বুদ্ধবাবু। সেই খবর পাওয়ার পর অভিনেত্রী জানান, মনে হচ্ছে একজন স্তম্ভ চলে গেছেন।
বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের স্মৃতিচারণা করতে গিয়ে ঋতুপর্ণা বলেন, ''মনে পড়ছে সেই দিনটি যেদিন উনি আর তৎকালীন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসু আমার বিয়েতে এসেছিলেন। আসলে এইসব মানুষরা বিরল এই পৃথিবীতে। তাঁদের মানসিকতা, শিক্ষাজ্ঞান আমাদের সমাজকে সবসময় উর্বর করেছে। আজ ওঁর মতো একজন শিক্ষিত মানুষ, এত বড় একজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব চলে গেলেন ঠিকই, কিন্তু তিনি যা রেখে গেলেন সেটা আমাদের কাছে বিশাল সম্পদ।'' ঋতুপর্ণার কথায়, সকলের জন্য অনেক উদাহরণ রেখে গেলেন বুদ্ধবাবু, তাঁকে স্যালুট জানাতেই হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার পিস ওয়ার্ল্ডে বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের মরদেহ নিয়ে যাওয়া হবে। শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে ৩১, আলিমুদ্দিন স্ট্রিট, সিপিআই(এম) রাজ্য দফতর মুজফফর আহমদ ভবনে সর্বসাধারণের শ্রদ্ধাজ্ঞাপনের জন্য শায়িত থাকবে তাঁর মরদেহ। এরপর সেখান থেকেই বিকেল ৪টে নাগাদ বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের মরদেহ নিয়ে শোকমিছিল করে নীলরতন সরকার মেডিক্যাল কলেজে তাঁর মরণোত্তর দেহদান করা হবে।
এদিন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর পাম অ্যাভিনিউয়ের বাড়িতে গিয়ে তাঁকে শেষবার দেখে বেরিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, রাজ্য পুলিশ সবরকম সহযোগিতা করবে। চাইলে তাঁর মরদেহ নন্দনেও রাখা যেতে পারে, বিধানসভাতেও আনা যেতে পারে। মমতার কথায়, ''তিনি দীর্ঘদিন বিধানসভার জনপ্রতিনিধি ছিলেন, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন। পাশাপাশি একাধিক দফতরের দায়িত্বেও ছিলেন। তাই তাঁকে পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সম্মান জানানো হবে। তাঁর চলে যাওয়াটা রাজ্যের জন্য বড় ক্ষতি।''