২০২৪ সালের ৯ অগস্ট হাসপাতালের সেমিনাল হল থেকে তাঁর দেহ উদ্ধার হয়েছিল। সেই ঘটনার পর কেটে গিয়েছে দেড় বছর। একমাত্র ধৃত সঞ্জয় রায়কে দোষী সাব্যস্ত করে সাজা ঘোষণা করেছে শিয়ালদহ আদালত। কিন্তু তাতেও বিচার মেলেনি বলেই দাবি পরিবারের

ফাইল ছবি
শেষ আপডেট: 9 February 2026 10:24
দ্য ওয়াল ব্যুরো: আজ আরজি করের নিহত তরুণী চিকিৎসকের (RG Kar case) জন্মদিন। ধর্ষণের পর খুন করা হয় তাঁকে। ২০২৪ সালের ৯ অগস্ট হাসপাতালের সেমিনাল হল থেকে তাঁর দেহ উদ্ধার হয়েছিল। সেই ঘটনার পর কেটে গিয়েছে দেড় বছর। একমাত্র ধৃত সঞ্জয় রায়কে (Sanjay Roy) দোষী সাব্যস্ত করে সাজা ঘোষণা করেছে শিয়ালদহ আদালত (Sealdah Court)। কিন্তু তাতেও বিচার মেলেনি বলেই দাবি পরিবার এবং আন্দোলনকারী জুনিয়র চিকিৎসকদের। সোমবার, নির্যাতিতার জন্মদিনে বিচারের দাবিতে ফের পথে নামছেন তাঁরা।
এদিন ধর্মতলায় একগুচ্ছ কর্মসূচি রয়েছে জুনিয়র চিকিৎসকদের (Junior Doctors)। হাসপাতালের ভিতরে তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ-খুনের বিচার চেয়ে বিক্ষোভ করবেন তাঁরা। আরজিকর আন্দোলনে প্রথম সারিতে যাঁদের দেখা গিয়েছিল, সেই সকল জুনিয়র চিকিৎসকরা উপস্থিত থাকতে পারেন বলেই খবর।
৯ ফেব্রুয়ারি আরজি কর নির্যাতিতার (RG Kar Victim) জন্মদিন, এদিনই তাঁর মৃত্যুর ১ বছর ৬ মাস পূর্ণ হল। গত বছর জানুয়ারি মাসে শিয়ালদহ আদালত সঞ্জয় রায়কে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়। তবে সেই রায়ে খুশি ছিলেন না নির্যাতিতার বাবা-মা। তাঁদের দাবি, 'এত বড় একটা ধর্ষণ-খুনের ঘটনায় কেবল একজন যুক্ত থাকতে পারেন না। আরও অনেকেই প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িয়ে আছেন।'
আরজি কর ঘটনার পর কলকাতা পুলিশ (Kolkata Police) সঞ্জয় রায়কে গ্রেফতার করেছিল। কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) নির্দেশে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই (CBI) তদন্তভার নেয় কিন্তু তারাও আর কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি। নির্যাতিতার বাবা মা সিবিআইয়ের নিষ্ক্রিয়তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন।
গত বছরও আজকের দিনে একাধিক কর্মসূচির আয়োজন করেছিল জুনিয়র চিকিৎসকেরা। নির্যাতিতার স্মরণে ওয়েস্ট বেঙ্গল জুনিয়র ডক্টরস ফ্রন্টের উদ্যোগে সোদপুর মহেন্দ্রনগর উন্নয়ন সমিতির মাঠে 'অভয়া ক্লিনিক' বসেছিল। আরজি কর প্রাঙ্গণে “Cry of the hour”এর সামনে জমায়েতের ডাক দিয়েছিলেন তাঁরা। সেখান থেকেই আন্দোলনের পরবর্তী রূপরেখাও ভাগ করে নিয়েছিলেন সকলের সঙ্গে।
তারপর থেকে এই এক বছরে বিচার চেয়ে একাধিকবার রাস্তায় নেমেছে নির্যাতিতার পরিবার, জুনিয়র চিকিৎসকেরা। গত বছর ৯ অগস্ট মা-বাবার ডাকে নবান্ন অভিযান হয়। মিছিলে পুলিশের লাঠির আঘাতে নির্যাতিতার মা আক্রান্ত হন বলেও অভিযোগ। এমনকি ভেঙে দেওয়া হয় তাঁর হাতের শাঁখা। হাসপাতালে থেকে কয়েকদিন চিকিৎসাও চলেছিল তাঁর।