.jpeg)
নিজস্ব ছবি
শেষ আপডেট: 23 January 2025 20:47
দ্য ওয়াল ব্যুরো: যা কিনবেন তাতেই মিলবে ছাড়! রয়েছে একাধিক স্কিমও। খুব বেশি সময় দিতে না পারলেও রাজনীতি ও টেলিভিশনের কাজের সঙ্গে সমান তালে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন রচনা ব্যানার্জি। এবার নিজের লোকসভা কেন্দ্রের একটি মেলায় স্টল দিয়ে উচ্ছ্বসিত তিনি। মেলায় রচনার শাড়ির কালেকশনের সঙ্গে পাওয়া যাচ্ছে রচনা কেয়ার (স্কিন কেয়ার প্রোডাক্টস)-এর জিনিসপত্রও।
চুঁচুড়া বক্সিং গ্রাউন্ডে আজ থেকে শুরু হল চুঁচুড়া বিধানসভা উৎসব। সেই উৎসবেই দুটি স্টল দিয়েছেন হুগলির সাংসদ। একটিতে পাওয়া যাচ্ছে শাড়ি অন্যটিতে বিউটি প্রোডাক্টস। নিজের লোকসভা কেন্দ্রের লোকজনের জন্য, বলা যায় প্রায় সকলের জন্যই আগামী ১০ দিন আকর্ষণীয় ছাড় দিচ্ছেন তিনি। পাওয়া যাবে আকর্ষণীয় উপহারও। ফ্রিতে শাড়িও পেতে পারেন গেলেই।
মেলা ঘুরে দেখার পর বৃহস্পতিবার নিজের স্টলের সামনে এসে দাঁড়ান রচনা। সমস্ত কিছু ঠিকঠাক আছে কিনা দেখে নেন। তারপর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে স্টল ও মেলা নিয়ে বেশ কিছু কথা বলেন। জানান, 'দারুণ সাজানো হয়েছে মেলার সমস্ত স্টল। বিধায়ক ভীষণ সুন্দর ব্যবস্থাপনা করেছেন। আশা করি সবাই খুব খুশি হবেন। মেলা তো সকলেরই ভাল লাগে। শহরের বুকে এমন মেলা অনেকেরই আসার সুবিধা। আমাকে বললেন তোমার তো এই সব ব্যবসা আছে। আমি বললাম হ্যাঁ আছে তো। সময় এখন কম দিতে পারি। আমার লোকজন সেগুলোকে চালায়। কিন্তু উনি (বিধায়ক) বললেন, তুমি স্টলে রাখো তোমার জিনিসপত্র। আমি বললাম ঠিক আছে।'
কী কী অফার দিচ্ছেন নিজের স্টলে? উত্তরে রচনা বলেন, 'আমার শাড়ির ব্যবসা অনেক বছরের। শুধু শাড়ি নয় রচনা স্কিন কেয়ার প্রোডাক্টসও রয়েছে। আগে আমি সময় দিতে পারতাম। এখন পারি না। কিন্তু আমার লোকজন করে। যতটুকু পারছি করছি। আজ এখানেও স্টল দিলাম। ১০ দিন চলবে। হয়তো মানুষের ভাল লাগবে, মানুষ কিনবে। দোকান হতেও পারে। ভাবিনি কোনওদিন। যেই নেবে সেই ডিসকাউন্ট পাবে। ১০ এর ওপরও স্কিম আছে অনেক। আর আমরা সবসময় অফার চাই। সেটা শুনতে খুব ভাল লাগে। ডিসকাউন্টে কিনতেও ভালবাসি।'
মহিলাদের জন্য, মহিলাদের উন্নয়নে ও অনুপ্রেরণা জোগাতে একাধিক কাজ করেন সাংসদ। মহিলাদের নানা কাহিনী উঠে আসে তাঁর রিয়্যালিটি শো দিদি নং ১-এও। এই মেলায়ও বহু মহিলা স্টল দিয়েছেন। তিনি নিজেও মহিলা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত। সব মিলিয়ে তাঁর বক্তব্য, 'মহিলারা নিজের পায়ে দাঁড়াক, মহিলারা রোজগার করুক, শিক্ষিত হোক, সমাজে মাথা উঁচু করে দাঁড়াক, হাত পাতবে না কারও কাছে। একটা মেয়ে মানে ১০টা ছেলের সমান। আমরা দিদি নং ওয়ানের মঞ্চে এই বার্তাই দিয়ে থাকি। কল্যাণ দাও তাই দিলেন। এই বার্তা যেন সকলের কাছে পৌঁছয় এবং মানুষ অনুপ্রাণিত হন।'