
প্রতীকী ছবি
শেষ আপডেট: 5 December 2024 07:50
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ৩০ তম আন্তর্জাতিক কলকাতা ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের উদ্বোধন হয়েছে বুধবার। এরই মধ্যে আরজি কর আন্দোলনের প্রতিবাদীরা জানালেন, শহরে হবে 'দ্রোহের ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল'ও! সেখানেও নানা সিনেমা দেখানো হবে। তবে কোথায়, কবে এবং কী সিনেমা দেখানো হবে, তা নিয়ে এখনও কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি।
'অভয়া মঞ্চ'-এর পক্ষ থেকে এই 'দ্রোহের ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল'-এর ডাক দেওয়া হয়েছে। প্রতিবাদী এক সিনিয়র ডাক্তার তমোনষ চৌধুরী এক ভিডিও বার্তায় বলেছেন, ''অভয়া মঞ্চের তরফে দ্রোহের ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এটা আমাদের রাগের, প্রতিবাদের, শোকের ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল। কবে আর কোথায় এই ফেস্টিভ্যাল শুরু হবে তা শীঘ্রই জানাব।'' তিনি আরও জানান, রাজ্যের প্রতিবাদী মানুষ এবং সিনেমার সঙ্গে যুক্ত কলাকুশলীরা সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন যে কোন কোন সিনেমা দেখানো হবে। নাগরিক সমাজকে এই 'দ্রোহের ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল'-এ যোগদানের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
এই ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল নিয়ে জুনিয়র ডাক্তারদের কী মত? সাংবাদিক বৈঠকে এই প্রসঙ্গ উঠতেই জুনিয়র ডাক্তার দেবাশিস হালদার বলেন, ''সিনিয়র ডাক্তারদের সংগঠন এর ডাক দিয়েছে। এতএব তাঁরাই ভাল বলতে পারবেন। তবে প্রতিবাদী যে কোনও সংগঠন নিজের মতো করে এই আন্দোলনের আগুন জিইয়ে রাখতে পারে। আমরা আমাদের মতো বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করব। বাকিরাও তাঁদের মতোই সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। এখানে বিরোধিতা করার কোনও জায়গাই নেই।'' তাঁদের কথায়, এইভাবেই এই লড়াইকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে, এটাই স্বাভাবিক।
জুনিয়র ডাক্তাররা বুধবারই সাংবাদিক বৈঠক করে জানিয়েছেন, আগামী শুক্রবার অর্থাৎ ৬ তারিখ মেডিক্যাল কাউন্সিলের সামনে জমায়েত করে স্বাস্থ্যভবন অভিযান করা হবে। দুপুর ৩টে নাগাদ সকলকে কাউন্সিলের সামনে আসারল আহ্বান জানান তাঁরা। ওইদিন অভিযান নির্ভয়ার বাবা-মা-ও থাকতে পারেন বলে উল্লেখ করা হয়।
ইতিমধ্যে অনেকের প্রশ্ন, রাজ্যে সদ্য শেষ হওয়া উপনির্বাচনের ফলাফল যা এসেছে তার পর কি এই আন্দোলন আর সফল হবে? কারণ শাসক দল সব আসনেই জিতেছে। এই প্রসঙ্গে জুনিয়র ডাক্তারদের স্পষ্ট কথা, এই আন্দোলন স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় বদল, দুর্নীতি এবং থ্রেট কালচারের বিরুদ্ধে। কোনও রাজনৈতিক আন্দোলন নয়। তাই বারবার এই আন্দোলনকে দলীয় রাজনীতির মাপকাঠিতে ফেলে দেওয়ার চেষ্টাকে ধিক্কার জানাচ্ছেন তাঁরা। জুনিয়র ডাক্তারদের এও অভিযোগ, রাজনীতির প্রসঙ্গ টেনে আন্দোলনকে কালিমালিপ্ত করার চেষ্টা হচ্ছে।