
ডেটিং অ্যাপে ফাঁদ
শেষ আপডেট: 8 July 2024 13:38
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ডেটিং অ্যাপে প্রতারণার ফাঁদ। এক তরুণীর সঙ্গে ডেট করতে গিয়ে প্রতারণার ফাঁদের পা দিয়ে ফেললেন পাটুলির এক যুবক। অভিযোগ, এক তরুণী ও তার সঙ্গীরা বিজয়গড়ের অরবিন্দপল্লীর একটি ফ্ল্যাটে যুবককে আটকে রাখে। তারপরে ১ লক্ষ টাকার মুক্তিপণ চায়। পাটুলি থানার পুলিশ অভিযোগ পেয়ে তদন্ত শুরু করে। পরে বিজয়গড়ের ওই ফ্ল্যাট থেকে আটক ওই যুবককে উদ্ধার করে। ওই তরুণীর সঙ্গে আরও তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে তরুণীর স্বামীও রয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানাগিয়েছে, ধৃত ওই ২২ বছরের তরুণীর নাম অনিশা দাস। একটি ডেটিং অ্যাপে তার প্রোফাইল রয়েছে। অভিযোগ, ওই তরুণী ডেটিং অ্যাপে যুবকদের সঙ্গে আলাপ জমাত। তারপরে দেখা করতে চেয়ে কোনও জায়গা ডেকে তাদের আটকে রেখে টাকা আদায় করত। এক্ষেত্রেও তাই ঘটেছে। পাটুলি থানা এলাকার ডেটিং অ্যাপের মাধ্যমেই ওই যুবকের সঙ্গে অনিশা পরিচয় হয়েছিল। রবিবার তাদের দেখা করার কথা ছিল। ওই তরুণীর সঙ্গে দেখা করতে তার ফ্ল্যাটে গিয়েছিলেন ওই যুবক। কিছুক্ষণ ওই তরুণীর সঙ্গে কথা বলার পরে আরও দুজন সেখানে চলে আসে। তারা ওই যুবককে মারধর করে। কিছু ছবি তুলে রাখে তারা। এরপরেই ওই যুবকের বাড়িতে ফোন করে ১ লক্ষ টাকা মুক্তিপণ চায় এই তরুণী ও তার সঙ্গীরা।
পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, মুক্তিপণের চেয়ে ফোন আসতেই তাঁরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। কিছুই বুঝতে পারছিলেন না। পরে ছেলেকে উদ্ধার করতে পাটুলি থানার পুলিশের দ্বারস্থ হন তাঁরা। পুলিশ তখন অভিযুক্তদের ধরতে ফাঁদ পাতে। পরিবারকে বলে মুক্তিপণের টাকা সেখানে পৌঁছতে। একদিকে সাদা পোশাকে সেখানেই দাঁড়িয়ে ছিল পাটুলি থানার পুলিশ। দুই প্রতারক টাকা নিতে ওই যুবককের বাইক নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছল পুলিশ তাঁদের ধরে ফেলে। থানায় এনে তাদের জেরা করলে আটক যুবকের খোঁজ পায়। পুলিশ সেই মতো অরবিন্দপল্লির ওই ফ্ল্যাট থেকে যুবককে উদ্ধার করে। সঙ্গে অনিশা ও বাবুসোনা মণ্ডল নামে আরও এক যুবককে গ্রেফতার করে।
পুলিশ জানতে পেরেছে, বাবুসোনা মণ্ডল ও অনিশা দাস তারা স্বামী-স্ত্রী। দুজনে মিলে এমন ভাবে ডেটিং অ্যাপের মাধ্যমে চক্র চালাত। এর আগেও তাদের বিরুদ্ধে একাধিক প্রতারণার ঘটনার অভিযোগ রয়েছে।